ধামরাইয়ে খাল ভরাট ও গাছ কাটায় বাধা: ৫ দিন পর চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু, মামলা হত্যায় রূপান্তর ডোমারে জমির ন্যায্যমূল্যের দাবিতে মানববন্ধন শীতের আগমনে সুস্থ থাকতে প্রয়োজন বাড়তি শরীরচর্চা ও যত্ন এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাতীয় নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের গণসংযোগ কুলিয়ারচরে ভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন নড়িয়ায় জেন্ডার স্টেরিওটাইপ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর উদ্যোগে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় যুব সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে গাঁজাসহ আটক সাইদুলের ৪ মাসের কারাদণ্ড। ঈশ্বরগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত লাখাইয়ে দেশি মাছের সংকট,শুঁটকি উৎপাদনকারীরা বিপাকে ডোমারে হাবিবুল হক দুলাল মাস্টার স্মরণে শোকসভা ডোমারে জেলা প্রশাসকের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা মোংলায় তেলবাহী ট্যাংকারের ধাক্কায় ডুবল ১২০০ টন কয়লাবোঝাই কার্গো ডোমারে আওয়ামী লীগের ৩ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার রাজবাড়ীতে প্রকাশ্যে যুবকে গুলি আশাশুনিতে নারীর আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি সম্পর্কিত সভা উলিপুরে ট্রেনে কাটা পরে বৃদ্ধার মৃত্যু লোহাগড়ায় গ্রাম পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ" কোর্সের উদ্ধোধন ঝিনাইগাতীর নকশী সীমান্ত থেকে ১৪৭ বোতর ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার

নির্মাণে দুর্নীতি: ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রামুর আতিক্যা বিবির সেতু

কক্সবাজারের রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের বাঁকখালি নদীর উপর নির্মিত ২০০ ফুট দৈর্ঘ্যের আতিক্যা বিবির সেতুর তিনটি পিলারের পাইলিং এর ঢালাই খসে পড়ে দেখা যাচ্ছে রড। বর্ষার আগে সেতুটি পুনঃসংস্কার না করলে লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র সেতুটি যেকোনো মুহুর্তে ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।


গত বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আট জোড়া পিলারের উপর নির্মাণ করা হয়েছে আতিক্যা বিবির সেতু। প্রতি জোড়া পিলারের নিচে রয়েছে ছয়টি করে পাইলিং পিলার। শুষ্ক মৌসুমে নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় পাইলিং করা পিলারের সিমেন্ট খসে গিয়ে রডের আস্তর দেখা যাচ্ছে। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে দুটি পিলারের ব্যারিকেট। ফলে বড় যানবাহন পণ্য আনা-নেওয়া করতে না পারায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনৈতিক ও কৃষি বাণিজ্য।



সূত্র বলছে, রামু সদর থেকে রাজারকুল, কাউয়ারখোপ ও সোনাইছড়ি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র সেতুটি দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর ২০১১ সালে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয় সেতু নির্মাণের কাজ। তবে সেতুর কাজ শেষ হতে সময় লেগেছিল প্রায় তিন বছরের বেশি। নির্মাণের দশ বছর অতিক্রম না হওয়ার আগেই জনগুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটির বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পড়েছে এই সেতুর সুবিধাভোগী জনসাধারণ।


এদিকে রামুর পূর্বাঞ্চল কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের বাসিন্দা ও কৃষি খামারি নাসির উদ্দীন জানান, “কাউয়ারখোপ, রাজারকুল ও সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সাথে এই সেতু ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। এই সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় বিপাকে আছি। আগে খামার থেকে সরাসরি পিকআপ যোগে পণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু এখন সেতুর প্রবেশমুখে ব্যারিকেট দেওয়ায় বড় পিকআপ দিয়ে পণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিকল্প হিসেবে বাড়তি ভাড়া দিয়ে টমটম যোগে পণ্য বাজারে নিতে হচ্ছে। দ্রুত সেতুটি সংস্কার করে সব ধরনের যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা দরকার।”



রাজারকুল ইউনিয়নের আরেক বাসিন্দা সাংবাদিক শিপ্ত বড়ুয়া বলেন, ” এই সেতু নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা মোস্তফা সেতুটি পরিদর্শন করেন। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধে সেতুর প্রবেশমুখে দু’টি পিলার দিয়ে ব্যারিকেট দিয়েছে। তবে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তর অবগত হওয়ার পর-ও সেতু সংস্কারে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি ।”


এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা প্রকৌশলী মঞ্জুর হাছান ভূইয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন কেটে দেন।


অন্যদিকে নবাগত রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান মুঠোফোনে জানান,” ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সম্ভাব্য ব্যয়ের হিসাব ( প্রাক্কলন) দিয়েছে। পাস হলেই কাজ শুরু হবে”।

Tag
আরও খবর