স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়ার কারণ একটাই। স্বাদের অভাব। এমন খাবারও আছে যা খেতেও ভালো আর শরীরের জন্য উপকারী।
সুস্থ মনের নেপথ্যে থাকে শরীরের সুস্থতা। আর তার জন্য প্রয়োজন ব্যালান্সড ডায়েট। বয়স যাই হোক না কেন, এখন থেকেই খাওয়া-দাওয়ার দিকে নজর দিন। বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন। আর বাড়িতে বানানো পুষ্টিকর খাবার খান। রোজকার ডায়েটে সিরিয়াল, প্রোটিন, দুধ এবং ডেইরি প্রডাক্টস, বাদাম, ফল ও সবজি, সবই রাখতে হবে পরিমিত পরিমাণে। এর সঙ্গে প্রতিদিন আরও কয়েকটা জিনিস খাওয়ার চেষ্টা করুন। স্বাদের নিরিখে প্রতিটিই সেরা। স্ন্যাক্স হিসেবেও উপাদেয়, আবার মিলের অংশ হিসেবেও।
◾টমেটো :
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টিতে ভরা লাইকোপেনের উপস্থিতি এর বিশেষত্ব। প্রতিদিন খেলে ভিটামিন এ ও সি-এর অভাব থাকবে না শরীরে। ত্বকও সান ড্যামেজ থেকে অনেকটা সুরক্ষিত থাকবে। শরীরকে ফ্রি-র্যাডিক্যাল ড্যামেজ থেকেও রক্ষা করবে টোম্যাটো। তা ছাড়া এটি ক্রোমিয়ামেরও খুব ভালো উৎস, যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
◾চীনাবাদাম :
এনার্জি এবং পুষ্টি, দুটোই একসঙ্গে পেতে চাইলে চীনাবাদামের কোনো বিকল্প নেই। এতে থাকে মোনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা হার্ট ভালো রাখে। এ ছাড়া এতে রয়েছে রেসভিরাট্রল। বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার এবং হার্টের সমস্যা থেকে সুরক্ষিত থাকতে রেসভিরাট্রল দারুণ কার্যকরী। সমীক্ষা বলে, যারা নিয়মিত চীনাবাদাম খান, তাদের গলব্লাডার স্টোনের আশঙ্কা কম।
◾গাজর :
এতে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এটি মূলত ভিটামিন এ-এর প্রিকার্সার, যা আমাদের শরীরে এসে ভিটামিন এ-তে পরিণত হয়। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ডায়েটে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ রাখা জরুরি। ইমিউন সিস্টেম ভালো রাখতে এবং ত্বক যৌবনোচ্ছল রাখতেও ভিটামিন এ জরুরি। এটি এজিং প্রসেস রুখতে সাহায্য করে। ফলে ফাইন লাইনস, বলিরেখা কম ফুটে ওঠে।
◾ফ্ল্যাক্সসিড :
ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার ও লিগন্যান্সে ভরপুর ফ্ল্যাক্সসিড এককথায় শরীরের সুপারফুড। ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড মূলত এক ধরনের এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শরীরে গুড কোলেস্টেরল বা এইচডিএল-এর পরিমাণ বাড়ায়। লিগন্যান্সে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ইস্ট্রোজেনের গুণ। তাই এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুব উপকারী। রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে খুব সহজেই।
◾টক দই :
হজমক্ষমতা ভালো রাখতে এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী রাখতে ডায়েটে প্রতিদিন টক দই রাখা চাই-ই। এটি ক্যালসিয়ামের মতো জরুরি মিনারেলে ঠাসা, ফলে হাড় এবং দাঁতের জন্যও ভালো। ডায়রিয়া এবং ডিসেন্ট্রির প্রতিরোধক হিসেবেও টক দই উপকারী। প্রতিদিনের ডায়েটে টক দই রাখতে চাইলে ব্রেকফাস্টে মুজলি বা ওটসের সঙ্গে বা দুপুরের মিলের সঙ্গে শুধু শুধু খেতে পারেন।
◾ফল-সবজি:
মাছ-মাংসের সঙ্গে সঙ্গে এই খাবারগুলোও তাই নিত্যদিনের ডায়েটের অংশ করে তুলুন। এ ছাড়া আমন্ড, কিশমিশ, খেজুর, আখরোট, বিভিন্ন সবজির রস ইত্যাদি খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন। কতটা কী রাখবেন, সেই বিষয়ে বিশেষজ্ঞের মতামত নিতে পারেন। তবে সবটাই নির্ভর করবে আপনার বয়স, শারীরিক অবস্থা এবং জীবনযাপনের ওপর।
১ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
২২ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
২২ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
২২ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
১ দিন ১৫ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
১ দিন ১৬ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে