হ্যালোইন লুকে নজর কাড়লেন অপু বিশ্বাস পোশাক শ্রমিকদের অবরোধে অচল মিরপুর শহরের সৌন্দর্য রক্ষায় নিজের ব্যানার-ফেস্টুন নিজেই অপসারণ করলেন মেয়র প্রার্থী উজ্জল প্রধান শেরপুরে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১০ এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে : শিক্ষামন্ত্রী মেম্বার-চেয়ারম্যান প্রার্থী দিবা, নালা ভেঙে ফেলবো’—নাঙ্গলকোটে এমপি মোবাশ্বের আলম কুলিয়ারচরের শহীদ রেফায়েত উল্লাহর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত কালাইয়ে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২, গুরুতর আহত-১ হাজারো মানুষের সামনে খোকশাবাড়ীতে বখতিয়ার ফিরোজের প্রার্থীতা ঘোষণা শান্তিগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের দ্বিতীয় ধাপে প্রশিক্ষণ শুরু শ্রীমঙ্গলে কাল থেকে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী ১৫তম তাফসীরুল কুরআন মহাসম্মেলন সচেতনতা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন এমপি এইচএসসি ফলাফলে ডোমারের দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ অকৃতকার্য, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭ জন আশাশুনি-বুধহাটা সড়কে গরু-ভেড়ার অবাধ বিচরণে দুর্ঘটনার শঙ্কা লাখাইয়ে সার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগে ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিনাজপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মিরসরাইয়ে ইবনে আব্বাস (রা.) ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার ৫ হাফেজকে পাগড়ি ও ক্রেস্ট প্রদান সাতক্ষীরায় ভবন নির্মাণে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: থানায় অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে আইনি প্রক্রিয়ায় নিলামে কেনা জমির দখল নেওয়ার পাঁয়তারা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

চিলমারীতে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে

 কুড়িগ্রামের চিলমারীতে থানাহাট পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত বিষয়ের শিক্ষক মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়ার) বিরুদ্ধে আবারও এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে ৭ম শ্রেণির ঐ শিক্ষার্থীর অভিভাবক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।এর প্রেক্ষিতে ব্যাখ্যা চেয়ে ঐ শিক্ষকের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ তৈয়ব আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগেও ২০১৯ সালে শিক্ষক মোঃ জিয়াউর রহমান (জিয়ার) বিরুদ্ধে ওই স্কুলের আরেক শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলেন। ঐ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে চিলমারী মডেল থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় দুই দফায় তিনি প্রায় তিন মাস কারাভোগ করেন ঐ শিক্ষক। পরে ঐ শিক্ষার্থী অভিযোগ প্রত্যাহার করার পরে ঐ মামলা থেকে রেহাইপান শিক্ষক জিয়া। ৭ম শ্রেণির ঐ শিক্ষার্থী এবং তার মায়ের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঐ শিক্ষার্থী তার স্কুলের সহকারী শিক্ষক জিয়াউর রহমান (জিয়ার) কাছে গণিত প্রাইভেট পড়ে আসছিলেন। কোরবানি ঈদের পর গত ২২ জুন সকালে প্রাইভেট পড়তে গেলে শিক্ষক জিয়াউর তাকে যৌন উষ্কানীমূলক কথা বলেন। এক পর্যায়ে প্রাইভেট কক্ষের বাইরে নলকূপের পাড়ে ডেকে নিয়ে তাকে '‘কু-প্রস্তাব’' দেন এবং যৌন হয়রানি করার চেষ্টা করেন। শিক্ষকের এমন আচরণে ঐ শিক্ষার্থী মানসিকভাবে বিপর্য হয়ে পড়েন। এবং সে দ্রুত প্রাইভেট পড়ার স্থান ত্যাগ করে বাড়িতে ফিরে আসেন। এবং বিষয়টি তার মায়ের কাছে জানায়। পড়ে ঐ শিক্ষার্থীর মা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। ঐ শিক্ষার্থীর মা বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার দিয়েছি। তারা কী বিচার করেন সেটা জানার অপেক্ষা আছি। স্কুল সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ভাবে উদ্যোগ হিসেবে প্রধান শিক্ষক ঐ শিক্ষার্থীর মৌখিক ও লিখিত জবানবন্দি নিয়েছেন। এসময় স্কুলের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। তবে শিক্ষার্থীর এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউর রহমান (জিয়া)। তিনি বলেন এটি তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন। ঐ শিক্ষক আরও বলেন, ঐ শিক্ষার্থীর মামার সাথে আমার ফেসবুকে বাকবিতন্ডার জেরে আমি থানায় অভিযোগ দিতে গিয়েছিলাম। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি তার ভাগনিকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রমূলক এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। এটা অমূলক অভিযোগ। আমি কোনও অপরাধ করিনি । ঐ দিন প্রাইভেট কক্ষে উপস্থিত অন্য শিক্ষার্থীরা তার সাক্ষ্য দেবেন। মামার সাথে বিরোধে মা-মেয়ে কেন এমন অভিযোগ তুলবেন, এমন প্রশ্নে জিয়া বলেন, ঐ শিক্ষার্থীর মা তার ভাইয়ের কথামতো চলেন। তাদের সংসারে সবকিছু তার ভাই দেখাশোনা করেন। জিয়ার এমন দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে ঐ শিক্ষার্থীর মা বলেন, এগুলো তার (জিয়ার) গা বাঁচানোর অজুহাত। শিক্ষকের আচরণ কেন এমন হবে? তার বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তিনি এখনো শোধরায়নি। ঐ শিক্ষকের চারিত্রিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই অভিভাবক।প্রধান শিক্ষক মোঃ তৈয়ব আলী বলেন, অভিভাবকের অভিযোগ পাওয়ার পর এ নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভা আহ্বান করা হয়েছিল। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঐ শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। তাকে ৫ কর্ম দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বারবার একই অভিযোগ ওঠার প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক বলেন, বিষয়টি বিব্রতকর। এটা স্কুল ও শিক্ষার্থীদের সম্মানের প্রশ্ন। এর আগের অভিযোগের পর জিয়া স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াবেন না মর্মে অঙ্গীকার নামা দিয়েছিলেন। এ ধরণের অভিযোগ উঠবে না বলেও অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু তারপরও কেন এমন হল, সে ব্যাপারে তার কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। তিনি জবাব দেওয়ার পর, বিধি অনুযায়ী তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আরও খবর