টানা প্রায় ৯ মাস ধরে ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে আগ্রাসন চালাচ্ছে ইসরায়েল। আর এই আগ্রাসনের শুরু থেকেই লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে। সম্প্রতি সেই উত্তেজনা চরম আকার নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাতটি দেশ তাদের নাগরিকদের অবিলম্বে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী দেশ লেবানন থেকে দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া আরো পাঁচটি দেশ তাদের নাগরিকদের লেবানন ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে।
শনিবার আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুক্রবার (২৮ জুন) বৈরুতে সৌদি দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে নিজ দেশের নাগরিকদের লেবানন ভূখণ্ড ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। সৌদি ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মান, নেদারল্যান্ডস, উত্তর মেসিডোনিয়া ও কুয়েত সরকার পৃথক বিবৃতিতে অবিলম্বে লেবানন থেকে দেশটির নাগরিকদের ছেড়ে যাওয়া নির্দেশ দিয়েছে।
অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, আয়ারল্যান্ড ও জর্ডান তাদের নাগরিকদের লেবাননে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করেছে।
গাজায় হামলার শুরু থেকেই প্রতিবাদ হিসেবে ইসরায়েলি সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোয় রকেট ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহ। ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীকে প্রতিরোধে লেবাননেও পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল।
গত অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত সাড়ে তিনশ’ হিজবুল্লাহ সদস্য নিহত হয়েছে। হিজবুল্লাহর হামলা ঠেকাতে লেবানন সীমান্তে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েল।
এ অবস্থায় ইরানের জাতিসংঘের মিশন হুমকি দেয়, যদি লেবাননে হামলা চলতে থাকে, তাহলে ইসরায়েলকে ধ্বংসের যুদ্ধ শুরু হবে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হামলা হলে ইরানের সব প্রতিরোধ বাহিনী ও মিত্ররা ইসরায়েলকে মোকাবিলা করবে।
ইরানের হুমকির পাল্টা জবাবে শনিবার ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বলেছেন, যে ধ্বংসের হুমকি দিচ্ছে সে সরকারই ধ্বংস হবে।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে হিজবুল্লাহর এসব হামলার তীব্রতা আরও বেড়েছে। হিজবুল্লাহ যেন সীমান্ত এলাকায় আর হামলা না চালাতে পারে সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের হুমকি দিয়ে আসছে ইসরায়েল। এ নিয়ে বর্তমানে বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মূলত হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে ২০০৬ সালের যুদ্ধের পর এটিই ইসরায়েল-লেবানিজ সীমান্তে সবচেয়ে খারাপ সহিংসতার ঘটনা।
১৯ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
১ দিন ১৩ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
২ দিন ৭ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৪ দিন ১৯ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৫ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৬ দিন ১৬ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৬ দিন ১৬ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৬ দিন ১৬ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে