সারাদেশে কোটা আন্দোলনকে ইস্যু করে এক শ্রেণির দুর্বৃত্তরা থানায়, সরকারি স্থাপনা, বেসরকারি স্থাপনা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে লুটপাট, ধ্বংসযজ্ঞ এবং অগ্নি সংযোগ করে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত করেছে। এসব ঘটনায় বাদ যায়নি শেরপুর সদর থানাসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা বাড়িও। এরই ধারাবাহিকতায় ও পরিকল্পিতভাবে দুর্বৃত্তরা ৫ আগস্ট সোমবার শেরপুর সদর থানায় আক্রমণ করে সেখানে ব্যাপকভাবে লুটপাট, গুরুত্বপূর্ণ কাগজ ও ফাইলপত্র এবং মামলার নথি সহ সকল কক্ষে অগ্নি সংযোগ করেছে এবং এতে করে এক ধ্বংসযজ্ঞে সেখানে আজ মৃতপূরীতে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় সদর থানার সকল দৈনন্দিন কার্যক্রম ও সেবা বন্ধ হয়ে যায়। এসময় অফিসারসহ কনস্টেবলরা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পুলিশ লাইন্সে চলে যায়। দেশে ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনের পর সারাদেশের সকল থানায় পুলিশ অফিসার ও ফোর্সদের স্ব-স্ব থানায় কাজে যোগদানের নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ আগস্ট শনিবার থেকে শেরপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের নীচ তলার বিভিন্ন কক্ষে সীমিত পরিসরে সদর থানার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিআইও-১ মো. জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, নালিতাবাড়ী ও নকলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, তাদের স্ব-স্ব থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক ও চলমান রয়েছে বলে এমনটাই জানিয়েছেন।
১০ মিনিট আগে
১৩ মিনিট আগে
২৮ মিনিট আগে
৪৪ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে