আশাশুনিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক
সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে এতিম ও প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের জন্য
কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা
প্রশাসনের আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে আলোচনা রাখেন, আশাশুনিতে
দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর ক্যাপটেন ফাহিম কায়ছার। উপজেলা নির্বাহী অফিসার
কৃষ্ণা রায়ের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সেক্রেটারী রণজিৎ
কুমার বৈদ্যর সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইন, উপজেলা
পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি নীলকণ্ঠ সোম, পরম পুরুষ কৃষ্ণদাশ ব্রহ্মচারী
ইস্কন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক স ম হেদায়েতুল ইসলাম, সদস্য সচিব মশিউল হুদা
তুহিন, যুবদল সদস্য সচিব আবু জাহিদ সোহাগ, উপজেলা জামাত আমীর আবু মুছা
তারিকুজ্জামান তুষার, নায়েবে আমীর নূরুল আফছার মোর্তজা, ইউপি চেয়ারম্যান
আবু বক্কর ছিদ্দিক, হাজী আবু দাউদ ঢালী, প্রভাষক দিপংকর বাছাড় দীপু, জগদীশ
চন্দ্র সানা, দীপঙ্কর কুমার সরকার দিপ, প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ
আসাদুজ্জামান মুকুল, আশাশুনি সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ স্বামী বিবেকানন্দজী
মহারাজ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক গোপাল কুমার মন্ডল,
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সহ সভাপতি অধ্যাপক সুবোধ চক্রবর্তী, সাংগঠনিক
সম্পাদক প্রভাষক হিরুলাল বিশ্বাস, বড়দল ইউনিয়ন সভাপতি সুরঞ্জন কুমার ঢালী,
সদর ইউনিয়ন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি প্রভাষক রতন কুমার অধিকারী, কাদাকাটি
সেক্রেটারী সুশান্ত মিত্র বাপন, আনুলিয়া সেক্রেটারী সুপদ কুমার সানা
প্রমুখ। কর্মকর্তাবৃন্দ বলেন, রবিবারের মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে।
প্রত্যেক মন্ডপে সিসি ক্যামেরা, স্বেচ্ছাসেবক কমিটি, বিট অফিসারের নেতৃত্বে
টহল, মাদকের ব্যবহার নির্মুল, বিশৃংখলা হলে আইনের আওতায় আনা হবে।
সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহায়তা ও নিরাপত্তা দেবে, কোন কাজে শৈথিল্য করা
যাবেনা, সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা আপনাদের পাশে থাকবে, রাজনৈতিক
নেতৃবৃন্দ সব সময় পাশে থাকবে বলে নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়। কর্মকর্তাগণ,
পূজা পরিচালনা কমিটিকে নামে নয় বরং যথাযথ দায়িত্ব পালনের আহবান জানান হয়।