তারাগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নোয়াখালীতে বজ্রপাতে গৃহবধূর মৃত্যু আদমদীঘিতে গাঁজাসহ দুই মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার চৌমুহনীতে প্রশিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগে গ্রাফিক্স ডিজাইনার শিক্ষক গ্রেফতার মাদক সম্রাট থেকে মানব পাচারের গডফাদার রুবেল শেখ আদমদীঘিতে গোল্ডকাপ বালক বালিকা ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত সান্তাহারে বিএনপি নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা শিবচরে এমপি জাহান্দার আলী জাহান-কে সংবর্ধনায় নেতাকর্মীদের ঢল ক্ষেতলালে মাদকবিরোধী অভিযানে দুই যুবক গ্রেফতার খেলাধুলা জীবনের অপরিহার্য অংশ : এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু লাখাই থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার-০১। জয়পুরহাটে ছাত্রদলের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ পীরগাছা উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবুল হোসেনের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা লালপুরে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু প্রেমবিচ্ছেদে টাওয়ারে যুবকের আত্মহত্যার হুমকি, ফায়ার সার্ভিসের সাড়ে ৪ ঘণ্টার অভিযানে উদ্ধার শ্যামনগরে মুক্তিপনের জন্য জিম্মি করা অনিমেষকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ চিলমারীতে "রেললাইন ও স্লিপার" বসানোর দাবিতে মানববন্ধন অনুনমোদিত বৈশাখী মেলা ভেঙে দিলেন এমপি নোয়াখালীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: নাছিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ১০ নেতার পদত্যাগ

শার্শার ঠেঙামারি বিলে জলাবদ্ধতায় হয়না আমন ফসল, হাজার হাজার চাষী নিঃস্ব


১৯ ৭১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ঠেঙামারী বিলের ৫শ একর আমন ধানের জমি ৬ মাস ধরে পানির নিচে তলিয়ে থাকে। ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার কারনে শত শত চাষী আজ পথের ফকির। টানা ৫৩ বছর ধরে এই বিলে কোনো আমন ফসল হয়না। যে কারনে কৃষকরা তাদের জায়গা জমি হারিয়ে হয়েছে দিশে হারা। এক কালে যারা ধনী চাষী পরিবার ছিলো আজ তারা অসহায় পড়েছে। ঠেঙামারী বিলসহ আসপাশের আওয়ালী বিল ও গোমর বিল সহ বেশ কয়েকটি বিল আষাঢ়মাস থেকে পানির নীচে ডুবে থাকে। যার দরুন উপজেলার রুদ্রপুর, দাউদখালী, ভবানীপুর, কায়বা, পাঁচকায়বা, গাজীর কায়বা,পাড়ের কায়বা ও বাইকোলা গ্রামসহ কায়বা ইউনিয়নের  ৮ গ্রামের হাজার হাজার চাষী আমন ধানের চাষ করতে না পেরে পথের ফকির বনে গেছেন। তারা এখন শুধু ইরিচাষের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। অনেক সময় বিলের পানি সময়মতো  নিষ্কাসিত না হওয়ায় ইরি বোরো চাষেও ব্যার্থ হয়ে যায় চাষীরা।


এ জলাবদ্ধতার আজও কোনো সমাধান করেনি কোনো সরকার।


 জানা গেছে, ভারত বাংলাদেশ সীমানা নির্ধারণী নদীর সাথে সংযোগ খাল রয়েছে ঠেঙামারী বিলের মাঝ দিয়ে। যেটা চলে গেছে শার্শা উপজেলার উত্তর অঞ্চলে।  বর্ষা মৌসুমে ঐ অঞ্চলের সমুদয় বিলের পানি জমা হয় এ ঠেঙামারী বিলে। এবং এই পানি নামতে নামতে ইরি মৌসুমে শেষ হয়ে যায়। চাষীরা আমন ধান তো লাগাতেই পারেনা। এমনকি ইরি বোরো ধানও  লাগাতে পারেনা চাষীরা। ৮০ ও ৯০ দশকের শেষ দিকে রুদ্রপুর ও দাউদখালী গ্রামের জিরো পয়েন্টে দুটি স্লুইসগেট নির্মান করা হয়েছিলো। নির্মানে ত্রুটি থাকায় তা কোনো কাজে আসছে না। গত বছর পরীক্ষা মুলক ভাবে খালের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়।  এবং বিলের পানি সেচে ইরিধান রোপন করা হয়। খালের মুখ বন্ধ করার ফলে নদীর জোয়ারের পানি এবার প্রবেশ করতে পারেনি। যেকারণে পানির চাপ এবছর একটু কম ছিলো। তার পরেও বিলে জমে থাকা পানি বেরুনোর কোনো রাস্তা না থাকায় জলাবদ্ধতার কোনো নিরসন হয়নি।


 এলাকাবাসী ও চাষীদের দাবী গোমর বিলের ভেতর দিয়ে নতুন খাল কেটে কলারোয়া উপজেলার সোনাই নদীর সাথে সংযোগ ঘটালে ও ইছামতী নদীর সংযোগস্থলে বাঁধ দিয়ে মোটর গেট চালু করতে পারলে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতার নিরসন হতে পারে।

আরও খবর