জাতীয় পার্টিকে হাসিনা সরকার জোর করে ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনেছিল। সরকার যেমন নির্বাচনে যেতে চাপ দিত, তেমনি অন্যদিক থেকেও জোর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন থেকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল। জানিয়েছেন, জাপা চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। আমরা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ ও অন্যায়ের ভাগিদার হবো কেন-এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি। শুক্রবার (১ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন তিনি এ অভিযোগ করেন।
জিএম কাদের বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের দোসর,একটি গোষ্ঠি আমাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়ার চেষ্টা করছে। এসবের অপবাদের কোনো সত্যতা নেই। এর পেছনে ষড়যন্ত্র চলছে, কিছু বুদ্ধিজীবীও এর সঙ্গে জড়িত।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি বলেন, আমাদেরকে বলা হয় আওয়ামী লীগের দোসর। কীভাবে ২০০৮ সালে নির্বাচনে আমরা আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোট করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। সেই শেখ হাসিনার সরকারে আমি মন্ত্রী ছিলাম। তাই বলে আমরা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ ও অন্যায়ের ভাগিদার হবো কেন? সেই সরকারের বিমান মন্ত্রী থাকাকালে হজযাত্রীদের খারাপ বিমানে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে তার প্রতিবাদে আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলাম।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনার পরপর সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় জাপা অফিসে হামলার ঘটনায় দলটির নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি সানাউল্লাহ শানু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম আহত হন।
জাতীয় পাার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্পর্কে জিএম কাদের বলেন, সরকার যেমন নির্বাচনে যেতে চাপ দিত, তেমনি অন্যদিক থেকেও জোর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন থেকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।
২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে সবাই আওয়ামী লীগকে বৈধতা দিয়েছিল। ২০১৪ ও ’২৪-এর নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে জোর করে নির্বাচন করতে বাধ্য করেছিল দাবি করেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেই কেন অপরাধ হবে? সাংবিধানিক অধিকার এটা। শেষ ৩টি নির্বাচন নিয়ে তথ্য ও ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। বিএনপি-আওয়ামী লীগের হামলা, মামলা ও দলীয় বিভক্তির রাজনীতির শিকার জাতীয় পার্টি হয়েছে বলেও দাবি করেন জি এম কাদের।
৫ দিন ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৫ দিন ২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৬ দিন ১৫ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৭ দিন ১৩ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৭ দিন ১৫ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে