চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রার পারদ প্রতিদিনই নামা-ওঠা করছে। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই জেলায় একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ৬ টায় চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
গতকাল বুধবার সকালে একই সময় আবহাওয়া অফিস জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে অন্তত ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ সকালে সূর্যের দেখা মিললেও উত্তরের হিমালয়ের পাদদেশ থেকে নেমে আসা কনকনে ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল মানুষেরা।
এদিকে তীব্র শীতের কারণে চুয়াডাঙ্গায় রোটা ভাইরাস আর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু। সেই সাথে শীতে বৃদ্ধি পেয়েছে ঠান্ডা, সর্দিকাশি জনিত রোগ।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, ইদানিং রোটা ভাইরাস ও শীতজনিত কারণে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এর মধ্যে ডায়রিয়া বেশি। বিশেষ করে শিশুরা বেশি রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে।
শিশুদের খাবারের ব্যাপারে পরামর্শ দিয়ে চিকিৎসকেরা আরও বলেন, কোনো মতেই শিশুদের বাসি খাবার খাওয়ানো যাবে না। যতটা সম্ভব বাইরের খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। শিশুদের প্রতি বেশি যত্ন নিতে হবে। বাসি খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
মোটা কাপড় পরিধান করাতে হবে। রাস্তার পাশে অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রতি মানুষের সচেতনতা না বাড়লে ডায়রিয়া মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে যাবে। বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যেতে হবে।
১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
১৩ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১ দিন ৮ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
২ দিন ১ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
২ দিন ৪ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
২ দিন ৫ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে