অভয়নগরে ভবদহ জলাবদ্ধতা ও কৃষিজমি রক্ষা জোটের মতবিনিময় সভা আদমদীঘিতে টিকটকের ছবি তোলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু ধর্মপাশা বজ্রপাতে দুইজন নিহত লাখাই রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতির ইচ্ছামত পরিচালনায় সদস্যগনের গন পদত্যাগ। লাখাইয়ে হাম নিয়ে জনসচেনতা ও সতর্কতামূলক প্রচারাভিযানে পথশিশু নিকেতন ফাউন্ডেশন। নাগেশ্বরীতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক ওমর ফারুক পলাতক শহরের বেজপাড়ায় ডিবি’র হানা: ৮০ পিস ইয়াবাসহ ‘ববি’ গ্রেপ্তার হেফাজতে নিয়ে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের অভিযোগ, ডিবির ওসি আরিফসহ দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার সাতক্ষীরায় আইন সচেতনতা কর্মশালা ৪০৯ বোতল ফেন্সিডিল পাচারকালে দুইজন আটক ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বাতিলের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির আঙিনায় সবুজ সাফল্য: জাতীয় ফল কাঠালে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে শিবচর দীর্ঘ নজরদারির পর গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী গলাচিপায় ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু জীবন সংগ্রামে জিততে চায় জুয়েল শিবচরে কবিদের মিলনমেলা, নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা নাগরিক সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ চায় কমিটি ঝিনাইগাতীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসুচীর উদ্বোধন রায়পুরে ৩৫০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

হবিগনজ সদর হাসপাতালে ৩দিন পড়েছিল কামরান আখন্জীর মরদেহ।

হবিগনজ সদর হাসপাতালে ৩দিন পড়েছিল কামরান আখন্জীর মরদেহ।

. বাহুবল উপজেলার মুখকান্দি গ্রামের কিশোর কামরান আখঞ্জী (১৪)। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্যাডমিন্টন খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু হয় তার। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ। নিহত কিশোর কামরান আখঞ্জী ওই গ্রামের আব্দুল হাই আখঞ্জীর পুত্র। সে স্থানীয় চলিতাতলা মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।


এদিকে, গত বৃহস্পতিবার ময়না তদন্তের জন্য ওই কিশোরের মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হলেও ৩দিন পর শনিবার দুপুরে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এরমধ্যে মরদেহ যাতে করে গলে পচে না যায় সে জন্য চা-পাতা বরফ ও দিয়ে পলিথিনে করে মুড়িয়ে রাখা হয়। ময়না তদন্ত সম্পন্ন করেন হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মোমিন উদ্দিন চৌধুরী।


জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্যাডমিন্টন খেলার এক পর্যায়ে হঠাৎ অসাবধানতাবশত তার ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য টানানো বিদ্যুতের লাইন স্পর্শ করে। এতে কামরানের মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বাহুবল মডেল থানা পুলিশ। কিন্তু এদিন হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসক স্বাচিপ পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে ঢাকা চলে যান। যে কারণে কামরানের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়নি। চিকিৎসকরা ফিরলেও ‘পুলিশ সুরতহাল না দেওয়ায়’ মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে পড়ে ছিল। যা নিয়ে পুলিশ ও ডাক্তারদের মধ্যে শুরু হয় ঠেলাঠেলি।


যদিও বাহুবল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার জানান, তারা মরদেহের সঙ্গেই সুরতহাল প্রতিবেদন দিয়েছিলেন। এ ছাড়া ঘটনার দিন থেকে একজন পুলিশ সদস্য মর্গে ছিলেন। হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. মোমিন উদ্দিন চৌধুরী জানান, সম্মেলনে থাকার কারনে তারা ময়নাতদন্ত করতে পারেনি। আবার পুলিশও সুরতহাল দেয়নি। তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুরতহাল না দিলে লাশ মর্গে থাকার কথা না।

এ বিষয়ে কামরানের বাবা আব্দুল হাই আখঞ্জী জানান, আমার ছেলে খেলতে গিয়ে মারা গেছে। কারো বিরুদ্ধে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। আমরা ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করতে ছেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ ডাক্তারের জটিলতায় পড়ে প্রায় ৩দিন পর আমরা ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ পেয়েছি। এটা আমাদের জন্য অনেক কষ্টের।

Tag
আরও খবর