আদমদীঘিতে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা গোয়ালন্দে আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০ বছর পূর্তিতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা ডিবির অভিযানে অনলাইন জুয়াড়িসহ আটক ৩ বকশীগঞ্জে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩ মাস পর কাবিখার ২ প্রকল্পের কাজ শুরু ‎সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান: বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ‎ কুতুবদিয়ায় লবণের মাঠে সোনালি ধান বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত রূপপুর, অনুমতির অপেক্ষা অক্টোবরের ৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৬৩ কোটি ডলার বাসকের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান চট্টগ্রামের আবদুল মন্নান জানু সাতকানিয়ায় বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের, আহত ৪ ইসলামপুরে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ পেট্রোলিয়াম ফুটবল ফেস্ট সিজন-৯ এর শিরোপা জিতল শ্যাডো স্ট্রাইকার্স গত ১৭ বছর ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে, বুলু নারী সেজে অনলাইনে প্রেম', পুরুষ হয়ে আরেক পুরুষকে বিয়ে করল প্রবাসী যুবক মুহূর্তের ঝড়ে মধুপুরে লণ্ডভণ্ড ৫৩ হেক্টর কলা-পেঁপের খেত নবীনদের পদচারণায় প্রাণ পেল দক্ষিণ নড়াইল শিমুলিয়া মহাবিদ্যালয় শ্যামনগর দেবীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে এমএমএস ট্যাবলেট বিতরণ উদ্বোধন ধর্ম-বর্ণ কারো সুযোগে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা চিলমারীতে "চরে ইনক্লুসিভ কালচারাল ও স্পোর্টস ইভেন্ট" অনুষ্ঠিত হয়েছে

শেখ হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা, ফের আঁকলেন শিক্ষার্থীরা

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 29-12-2024 07:11:56 am


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ হাসিনার ব্যঙ্গ গ্রাফিতি (ঘৃণা স্তম্ভ হিসেবেও পরিচিত) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় মুছে ফেলার চেষ্টা করেছে সিটি করপোরেশন কর্মীরা। এ ঘটনায় তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।


এরপর তারা আবারও শেখ হাসিনার আরেকটি ব্যঙ্গ গ্রাফিতি এঁকে দেন সেখানে। শনিবার দিবাগত রাতে টিএসসি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


জানা যায়, গভীর রাতে টিএসসি সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ মুজিব ও হাসিনার ব্যঙ্গাত্বক গ্রাফিতি ক্রেন নিয়ে মুছতে আসে সিটি করপোরেশনের কিছু লোক। হাসিনার গ্রাফিতির মাথা পর্যন্ত মুছে ফেললেও মুজিবের পুরোটাই মুছে ফেলা হয়েছে। হাসিনার গ্রাফিতি মুছে ফেলা অবস্থায় শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দিলে তারা এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়।


এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানান, শেখ হাসিনার গ্রাফিতিটা ছিল মূলত ঘৃণা স্তম্ভ। এটি জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি। আমরা এটি দেখে প্রক্টরকে কল করলে প্রক্টর এসে জানান যে, তাকে গোয়েন্দা সংস্থা কল করেছেন শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার ছবি মুছে দেওয়ার জন্য। পরে প্রক্টর স্যার এস্টেট অফিসকে জানালে অফিস সিটি করপোরেশন ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়।তবে শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে সেটি পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি। এরপর শিক্ষার্থীরা পুনরায় সেখানে শেখ হাসিনার গ্রাফিতি এঁকে দেন। 


এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে টিএসসিসংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পাশের ‘ঘৃণাস্তম্ভের’ সামনে জড়ো হন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদের অনুমতি নিয়ে এই কাজ করা হয়েছে জেনে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। তাঁরা প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেন।শেখ হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।


পরবর্তীতে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের স্বৈরাচারী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে ‘ঘৃণাস্তম্ভ’ নামক এই গ্রাফিতিতে পুনরায় শেখ হাসিনার প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। গ্রাফিতি আঁকার কাজটি করেন ছাত্র ইউনিয়নের চারুকলা অনুষদ শাখার সদস্য মৃধা রাইয়ান ও ঋষি। তাদের সঙ্গে ছিলেন রাইয়ান ফেরদৌস ও সর্দার নাদিম মাহমুদ শুভ।


এদিকে এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের এমন প্রতিক্রিয়ায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে।


তিনি জানান, ‘আমাদের ক্যাম্পাসে যখন বিভিন্ন সংগঠন বা দল বা শিক্ষার্থীরা রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রোগ্রাম করে। সেগুলোর ছবি ও বিস্তারিত সংগ্রহ করে এনএসআই উর্ধ্বতন পর্যায়ে পাঠায়। সেখানে এই ছবিগুলোর মধ্যে দেখা যায় যে, ঢাবিতে এখনো শেখ হাসিনা ও শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি রয়ে গিয়েছে। কিন্তু এগুলো যে প্রতিবাদের স্মৃতি হিসেবে এখানে রয়েছে এটা বোঝা যায়নি। সেজন্য এগুলো মুছতে বলা হয়েছিল।‘



তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা এখানে যেভাবে চাইবেই সেভাবেই গ্রাফিতি থাকবে। আমরা অতি দ্রুত এই দুটি মেট্রোর পিলারকে ফ্যাসিবাদ ঘৃণা স্তম্ভ ঘোষণা করে দেব।‘


প্রয়োজনে এই ভুলের জন্য বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ক্ষমা চাইবেন, তবুও যেন শিক্ষার্থীরা তাঁকে ভুল না বোঝেন এমন অনুরোধ জানান প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ।

আরও খবর