শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিহাসের সেরা বাজেট দেয়া হয়েছে: অর্থমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে নতুন পে স্কেলে সবার বেতন দ্বিগুণ হবে, বিষয়টি এমন নয় : তথ্য উপদেষ্টা শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ‘সরাসরি সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের’ কুলিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে আলোচনা সভা প্রাক্তন শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত ট্যুরিস্ট ক্লাব সাস্টের গোয়ালন্দে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গোয়ালন্দে ফরিদ দেওয়ানের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মাসুদের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‎সুন্দরবনে দস্যুমুক্ত পরিবেশের প্রত্যাশা: চার বাহিনীর ৫২ সদস্যের আত্মসমর্পণ বরিশালে দুর্যোগ উপেক্ষা করে বরিশালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনস্রোত ‎ ‎মোংলায় র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ‎ ‎মোংলায় র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে ৫০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সারের সংকট নেই,বিদ্যুৎ,গ্যাস সমস্যার বিষয়ে সরকার অবগত আছে - জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী পীরগাছায় আল হিদায়া একাডেমির ৩২জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা শার্শায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উদযাপন উলিপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত কুতুবদিয়া নৌ রুটে সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ,যাত্রীদের দুর্ভোগ উলিপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে স্কুল ভিত্তিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়া খালাস

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 15-01-2025 05:25:00 am


জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালাস পেলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করে এ আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।

 

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল, রুহুল কুদ্দুস কাজল ও আইনজীবী কায়সার কামাল। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জাকির হোসেন ভূইয়া ও মাকসুদ উল্লাহ। কাজী সালিমুল হক কামালের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান।  


রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনির আর হক। আর দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. আসিফ হাসান।


গত বছরের ১১ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে আপিলের অনুমতি দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া সাজার রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছিলেন আপিল বিভাগ। পরে খালেদা জিয়া আপিল করেন।


২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।


একইসঙ্গে খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।


পরে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ওই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া আপিল করেন। একই বছরের ২৮ মার্চ খালেদার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে দুদকের করা আবেদনে রুল দেন হাইকোর্ট।


সাজা বৃদ্ধিতে দুদকের আবেদনে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন।


আর পাঁচ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়া এবং ১০ বছরের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের আপিল খারিজ করেন আদালত।


২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের ৭ নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আরেকটি রায় দেন।  


রায়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাজা হয় মামলার অপর তিন আসামিরও।


এরপর একই বছরের ১৮ নভেম্বর ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া। পরে শুনানি শেষে হাইকোর্ট গত নভেম্বরে আপিল মঞ্জুর করে তিনিসহ সবার সাজা বাতিল করে দেন।  


যদিও এ দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করেছিলেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের দাবি, বিএনপি চেয়ারপারসনের দণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। তারপরও আপিল শুনানি কেন? আমরা বলেছি, তিনি (খালেদা জিয়া) আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রাষ্ট্রপতি মওকুফ করেছেন। সেখানে ক্ষমার কথা আছে। খালেদা জিয়া ক্ষমার প্রতি বিশ্বাসী নন। তিনি অপরাধ করেননি। ক্ষমাও চাননি। তাই তিনি আইনিভাবে মোকাবিলা করতে আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও খবর