ইসরায়েলে ভোট আজ, চ্যালেঞ্জের মুখে নেতানিয়াহু জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী কুলিয়ারচরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মঘণ্টায় তালা: চরম ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার না হলে তারেক রহমানও একই পথে হাঁটবেন: নাহিদ ইসলাম দুধ-কলা একসঙ্গে খেলে শরীরে কী ঘটে? ইয়োহেই সাসাকাওয়ার নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করতেও পিছপা হবে না পুলিশ : আইজিপি চুনতিতে ৪০ বছর পর উদ্ধার বনভূমিতে বৃক্ষরোপণ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ২৩ বছর পর মোজাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা মারকাজুত তাহফিজ মাদ্রাসার ১৮ সংবর্ধিত হাফেজকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের ঘোষণা, এক বছরে হিফজ সম্পন্নকারীদের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বিমানে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঝিনাইগাতীর সীডস প্রকল্পের সিবিও নেতৃবৃন্দের দেওয়ানগঞ্জে সিএসএ কার্যক্রম পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জাবিপ্রবির সার্বিক উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস আশাশুনির গুনাকরকাটিতে বিয়ের ধোঁকায় পড়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা সবজি আনতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্টে নারীর মৃত্যু, মেয়ে আহত শেরপুরের সীডস কর্মসূচির আয়োজনে জামালপুরের উন্নয়ন সংঘে সফর ও মতবিনিময় সভা শ্রীবরদী কারিতাস সিডস প্রজেক্টের উদ্যোগে উন্নয়ন সংঘ, দেওয়ানগঞ্জ সিবিও ভিত্তিক ক্রস লার্নিং ভিজিট অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ধান ক্ষেত থেকে নিখোঁজ ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার

সারা দেশের ন্যায় মধুপুরেও শীতের পিঠাপুলি বিক্রি জমে উঠেছে

ছবির ক্যাপশন-মধুপুর (টাঙ্গাইল): মধুপুরের এভাবেই পিঠাপুলির দোকান বসেছে। ছবিটি মধুপুর প্রেসক্লাবের সামনে ও সেগুনবাগন থেকে তোলা।

নাজিবুল বাশার, মধুপুর (টাঙ্গাইল):
টাঙ্গাইলের মধুপুরে শীতকালীন পিঠাপুলি বিক্রি জমে উঠেছে। বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে পিঠা। শীতের আমেজে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন, পরিবার পরিজন নিয়ে বিকেলে থেকে রাত পর্যন্ত পিঠা খেতে দেখা যাচ্ছে হাটবাজারে। ব্যস্ততার ফাঁকে বেড়ানো সময়ে স্বাদ নিচ্ছে শীতকালীন পিঠাপুলির। এ দৃশ্য যেন চেনা হয়ে উঠেছে। মধুপুরের শহরের মার্কেট এলাকা, থানা মোড়, শহীদ স্মৃতি রোড়, প্রেসক্লাব মোড়, সেগুনবাগান, চাড়ালজানী, কাঁঠালতলী, কল্লোল সিনেমা, মালাউড়ি, সিএমবি মোড়, টেকি পাড়া, বটতলা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায় পিঠা বিক্রির ধুম। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে খাচ্ছে পিঠা। অনেকে আবার বাড়ীতেও নিচ্ছে। মধুপুর প্রেসক্লাবের সামনে পিঠা বিক্রেতা মোখলেছ জানান, তিনি প্রতিদিন ১৭’শ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত পিঠা বিক্রি করে । প্রতিদিন তার খরচ বাদে ৭’শ থেকে ১ হাজার টাকা লাভ করে থাকে। তিনি আরো জানান, অনেকেই তার দোকান থেকে বাসা-বাড়ীতে পরিবার পরিজনের জন্য পিঠা কিনে নিয়ে যান। শীতে বেড়ে গেছে পিঠার চাহিদা। পিঠার চাহিদা বেশি হলে তিনি অনেক সময় হিমশিম খেয়ে যান। পিঠার ক্রেতা রনি জানান, তিনি ঝাল পিঠা ও ভাপা পিঠা নিতে এসেছেন। গতকাল তিনি কয়েকটি পিঠা সখ করে কিনে ছেলেমেয়েদের জন্য নিয়ে যান। আজ তার মা পিঠা নিতে বলছেন তাই তিনি এসেছেন। আব্দুল হালিম বাড়ীতে যাওয়া সময় প্রতিদিন বাচ্চাদের জন্য পিঠা নেন। শুধু রনি, আব্দুল হালিমও নন এরকম অনেকেই বাড়ীতে ও পরিবার পরিজন নিয়ে এসে পিঠা খাচ্ছে। শীতের স্বাদ নিচ্ছে নবান্নের পিঠাপুলির। প্রতিটি পিঠা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা দামে। অনেকে আবার ঝাল পিঠা কেজি হিসাবেও বিক্রি করে থাকে। এভাবে মধুপুরের বিভিন্ন পথ-ঘাট-হাট বাজারে ধুম পড়েছে শীতের পিঠাপুলির। সেগুন বাগানের আক্তারের কাছে জানা যায় সে ভাপা বিক্রি করেন তার  ৬’শ থেকে ৮’শ টাকা আয় হয় । 

বাংলার প্রকৃতিতে চলছে শীতকাল। প্রাচীণ কাল থেকে অপরূপ বাংলায় শীতকালে  চলে আসছে পিঠাপুলির নানা উৎসব। নবান্নে গ্রাম বাংলায় চলছে পিঠা পুলির নানা পর্ব। মাঠে মাঠে সোনালি ধানে ভরে গেছে ফসলের মাঠ। পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধ চারদিকে। কৃষক গোলা ভরতে ব্যস্ত সময় পার করছে। বাড়ীর উঠোন আঙ্গিনা সোনা রঙের ধানে ভরে গেছে। কুয়াশা ভেজা রোদে ধান শুকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে গ্রাম্য বধূরা। কাক ডাকা ভোর থেকে ঢেঁকির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে পল্লী গাঁয়ের। গ্রাম্য বধূরা মনের আনন্দে তৈরি করে নানা স্বাদের পিঠা। আত্মীয় স্বজনরা শীতের আমেজে ছুটে চলে স্বজনদের বাড়িতে।এ যেন পল্লীর চিরায়ত ঐতিহ্য। সরিষা দোপাটি নানা সবজিতে মেঠো পথে সেজেছে। এ দৃশ্য ছিল গ্রাম বাংলার। আধুনিক জীবন যাপন, কর্মমূখী ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় এ দৃশ্য অনেকটা কমে গেছে। মধুপুরের হাট-বাজার পথ-ঘাটে পিঠাপুলিতে স্বাদ নিচ্ছে নবান্নের এ সময়ে নানা শ্রেনী পেশার মানুষ।


Tag
আরও খবর