অভয়নগরে ভবদহ জলাবদ্ধতা ও কৃষিজমি রক্ষা জোটের মতবিনিময় সভা আদমদীঘিতে টিকটকের ছবি তোলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু ধর্মপাশা বজ্রপাতে দুইজন নিহত লাখাই রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতির ইচ্ছামত পরিচালনায় সদস্যগনের গন পদত্যাগ। লাখাইয়ে হাম নিয়ে জনসচেনতা ও সতর্কতামূলক প্রচারাভিযানে পথশিশু নিকেতন ফাউন্ডেশন। নাগেশ্বরীতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক ওমর ফারুক পলাতক শহরের বেজপাড়ায় ডিবি’র হানা: ৮০ পিস ইয়াবাসহ ‘ববি’ গ্রেপ্তার হেফাজতে নিয়ে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের অভিযোগ, ডিবির ওসি আরিফসহ দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার সাতক্ষীরায় আইন সচেতনতা কর্মশালা ৪০৯ বোতল ফেন্সিডিল পাচারকালে দুইজন আটক ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বাতিলের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির আঙিনায় সবুজ সাফল্য: জাতীয় ফল কাঠালে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে শিবচর দীর্ঘ নজরদারির পর গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী গলাচিপায় ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু জীবন সংগ্রামে জিততে চায় জুয়েল শিবচরে কবিদের মিলনমেলা, নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা নাগরিক সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ চায় কমিটি ঝিনাইগাতীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসুচীর উদ্বোধন রায়পুরে ৩৫০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ

লাখাইয়ে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা।

লাখাইয়ে দেদারসে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা। বনবিভাগের নজরদারির অভাবে হবিগনজের লাখাই উপজেলার বিভিন্ন বাজারের হাটে নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস চারা বিক্রির হিড়িক পড়েছে। ক্রেতারাও না বুঝে কিনছেন নিষিদ্ধ এ গাছ। অপরদিকে নার্সারি গুলোতেও এ গাছের চারা উৎপাদনের প্রতিযোগিতা চলছে, যেন দেখার কেউ নেই। উপজেলার বামৈ বাজার,কালাউক, বিশেষ করে বুল্লাবাজার সপ্তাহে দুইদিন হাটবার এবং প্রতিদিন এই গাছ অবাধে বিক্রি হচ্ছে। নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছ এভাবে বিক্রি হলেও পরিবেশ অধিদপ্তর ও বন বিভাগের নেই কোনো নজরদারি। গত একমাসে সরেজমিনে দেখা গেছে, রাস্তার ধারে, পুকুরপাড়ে, বাড়ির আশপাশে, খালের ধারে সহ পতিত জমিতে বাগান আকারে ব্যাপক হারে ইউক্যালিপটাস গাছ রোপণ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে নার্সারি থেকে নাম না জানা উপজেলার অনেক ব্যবসায়ী মালিকরা এ গাছের চারা সরবরাহ করে থাকেন। জানা যায়, ইউক্যালিপটাস গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি শোষণ করে যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ২০০৮ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে এ গাছের চারা উৎপাদন নিষিদ্ধ করে। কিন্তু দ্রুত বর্ধনশীল ও দাম বেশি পাওয়ার লোভে মানুষজন এ গাছ রোপণ করছেন। হবিগনজের বিভিন্ন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ইউক্যালিপটাসের চারা বিক্রি করতে আসেন নার্সারি মালিকেরা, হবিগনজের ধুলিয়াখাল থেকপ আসা ইব্রাহিম বলেন, নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আমরা কিছু জানিনা। আমাদেরকে আজকেই মানা করলে কাল থেকে আর বিক্রি করব না। কয়েকজন নার্সারি মালিকের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, এ ব্যাপারে বন কর্মকর্তা আমাদের কখনও নিষেধ করেনি। আমরা অল্প করে চারা উৎপাদন করে বিক্রি করি। বৃক্ষপ্রেমীরা বলছেন, ‘নিষিদ্ধ ইউক্যালিপটাস গাছের বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি সব পর্যায়ের উদ্যোগে লোকজনকে সচেতন করতে হবে। পরিবেশের স্বার্থে আমাদের সবার এই গাছ লাগানো থেকে বিরত থাকতে হবে। তা না হলে পরিবেশ নষ্ট করে ফেলবে এই গাছ।’ সচেতন মহলের দাবী, অতিরিক্ত পানি শোষণের কারণে ইউক্যালিপটাসকে পরিবেশের বিরূপ গাছ বলা হয়। এটি পরিবেশের জন্য খুবই ভয়ঙ্কর। এ গাছের বিষয়ে প্রান্তিক পর্যায়ে বার্তা না পৌছাতে পারলে লাভ হবে। এ বিষয়ে মানুষের মাঝে বেশি বেশি করে সচেতনতা বাড়াতে হবে।
Tag
আরও খবর