লাখাইয়ে ভিখারি সেঁজে মোবাইল ফোন চুরি,বিক্রি করতে গিয়ে বুল্লাবাজারে জনতার হাতে আটক।
লাখাইয়ে ভিখারি সেঁজে মোবাইল ফোন চুরি,বিক্রি করতে গিয়ে বুল্লাবাজারে জনতার হাতে আটক।
লাখাই উপজেলার মশাদিয়া গ্রামে মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে লাখাইয়ের কুখ্যাত চোর আব্বাছ মিয়া স্থানীয় বুল্লাবাজারে মোবাইল ফোন বিক্রি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্বাছ মিয়া সারাদিন ভিক্ষুকের বেশে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ফিরে,সারাদিন ভিক্ষা করার অভিনয়ে সুযোগ ফেলেই হামলা দেয়,যা পায় তাই নিয়েই সেখান থেকে পালিয়ে যায়,এবং সুযোগ বুঝেই বিক্রি করে দিয়ে গাঁজা কিনে খায়।
বুল্লাবাজারের ব্যবসায়ী মকবুল মিয়া জানান, ৫নং করাব ইউপির করাব গ্রামের আব্বাছ উদ্দিন ভিক্ষুক সেজে গ্রামে গ্রামে ভিক্ষাবৃত্তি করে সুযোগ পেলেই হাত নাড়িয়ে চুরি করে,এরই সুবাধে ২৩শে জুলাই (বুধবার) সকাল বেলা ভিক্ষুকের বেশে বুল্লা বাজারের স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে এসে বলে, আমার কাছে একটি ফোন আছে, আমি এটা বিক্রি করব।আব্বাসের কথায় সন্দেহ হলে তাকে আমরা আটক করি।জনগন কিছু উত্তম মাধ্যম দেওয়ার পরে আব্বাস স্বীকারোক্তিতে বলেছে সে এই মোবাইল ফোনটি লাখাই উপজেলার মশাদিয়া গ্রাম থেকে চুরি করে নিয়ে এসেছে, মালিকের নাম সে বলতে পারতেছে না।
করাব গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম বলেন,আব্বাস একজন কুখ্যাত চোর,সে সকালবেলা হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে গ্রামে গ্রামে ভিক্ষাবৃত্তি করে, সুযোগ পেলেই মানুষের ঘরে হামলা দেয়,যা পায় তাই নিয়েই চলে আসে,এবং স্থানীয় লোকদের মাঝে সুযোগ বুঝে বিক্রি করে।
এদিকে আব্বাস মিয়া আটক এর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে মোবাইলের মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়,তিনি হলেন লাখাই উপজেলার মশাদিয়া গ্রামের মাসুক মিয়ার ছেলে রুয়েল মিয়া।
রুয়েল মিয়া বলেন,আমার মোবাইল ফোনটি ঘরে চার্জে রেখে আমার বন্দুর সাথে পুকুরপাড়ে বসে গল্প করছিলাম,কিছুক্ষণের মধ্যে দেখলাম একজন ফকির এসেছে, এবং চলে গিয়াছে, ঘন্টাখানেক পরে আমি ঘরে এসে দেখি মোবাইল নাই,অনেক খোঁজাখুঁজি করলাম, পাইলাম না,দুপুরবেলা জানতে পারলাম বুল্লাবাজারে সেই ফকিরকে আটক করে আমার মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করেছেন,আলহামদুলিল্লাহ কিছুক্ষণ পরে,আমার ফোনটি আমি ফিরে পেয়েছি। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি বুল্লাবাজারের ব্যবসায়ীদের।
গাড়ী চালক কাদির মিয়া বলেন,কুখ্যাত চোর আব্বাস উদ্দিনের কাছ থেকে মোবাইল উদ্ধার করেছি, এবং সে স্বীকার করেছে জীবনে আর চুরি করবে না,তারপর তাকে আমরা ছেড়ে দিয়েছি।