যশোর সরকারি সিটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন রিমনকে বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে তাকে শহরের লালদীঘি পাড় থেকে আটক করে পুলিশ।প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, মহিউদ্দিন রিমন তার অসুস্থ মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে লালদীঘি পাড়ের একটি ফার্মেসিতে এসেছিলেন। এ সময় স্থানীয় কিছু লোক তাকে চিনতে পেরে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে তারা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়। এরপর কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে একটি পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। কিছু সূত্র বলছে, আটকের সময় তাকে মারধর করা হয়েছিল, তবে এই তথ্যের সত্যতা যাচাই করা যায়নি।মহিউদ্দিন রিমনকে যে মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেটি গত বছর (২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে) যশোর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলাটি বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর, লুট এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগে করা হয়েছিল।মামলার বাদী অ্যাডভোকেট এম এ গফুর, যিনি জেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক।
মামলায় মহিউদ্দিন রিমনসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের মোট ৬৩ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এছাড়াও, শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছিল।মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয় যে, গত বছরের ৪ আগস্ট আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে যশোর শহরের লালদীঘির পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালায়। তারা কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে এবং পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগ করে। এতে দুটি ল্যাপটপ, আলমারি ও অন্যান্য আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যায়।ঘটনার পর থেকেই মহিউদ্দিন রিমন পলাতক ছিলেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।আটক মহিউদ্দিন রিমনকে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যশোর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবলুর রহমান জানিয়েছেন, রিমনের বিরুদ্ধে বিএনপি অফিস ভাঙচুরের একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং তাকে সেই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।এই ঘটনাটি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং এটি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১৭ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে