চট্টগ্রামের দোহাজারী পৌরসভার আওতাধীন হাইওয়ে থানার পাশে মাদক ও জুয়ার রমরমা ব্যবসার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে দেশজুড়ে। সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ থানার সীমানা জটিলতা দেখিয়ে প্রশাসনের উদাসীনতায় আইন বিরোধী সকল কর্মকার্ন্ডের জন্য অপরাধী চক্রের নিকট সুপরিচিত এলাকাটি। এই কলোনীতে প্রায় কেউ না কেউ নানান অপরাধের সাথে জড়িত। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্ধর্ষ অভিযান পরিচালনা করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না তাদের আইন বিরোধী কর্মকান্ড। সন্ধ্যা নামলে এই জনপদ যেন একটি আতঙ্কের জায়গা। ভয়ে এলাকাটির পাশ দিয়ে চলাচল করতে সাধারণ জনগণের গা শিউরে ওঠে। কারণ এই এখানে অপরাধ ও অপরাধীর ধরন পাল্টে যায় নিয়মিত। নতুনভাবে নারী ও পুরুষ এই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে বলে তাদের তথ্যও জানা থাকে না প্রশাসনের। দীর্ঘদিন ধরে মোবারকের দোকানে তার দ্বিতীয় স্ত্রী আনজুনী ও সৎ মেয়ে মনোবী ও জামাই জুয়েল এলাকার অন্যান্য মহিলাদের মাধ্যমে মাদক এবং জুয়ার ব্যবসা পরিচালনা করার প্রমাণ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। এটি স্বীকার করেন মৃত নুর হোসেনের ছেলে মোবারক নিজেই। তিনি জানান তার দ্বিতীয় স্ত্রীর স্বামী মারা যাওয়ার পর বিয়ে হয় তাদের। তার সৎ ছেলে-মেয়ে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকায় তাদের সাথে সম্পর্ক রাখেন নাই। প্রয়োজনে তাদের এই ব্যবসা বন্ধ করতে প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা করবেন বলে জানান তিনি।
১ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে