যোগাযোগের জন্য সময়ের প্রয়োজন পড়েনা- কাজী এহসানুল হক জিহাদ আবুধাবিতে DXN পপুলার ইউনিয়ন টিমের উদ্যোগে বিশাল বাংলা সেমিনার ও সেলিব্রেশন নোয়াখালীর দত্তেরহাটে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল এমডি জেলে মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার দত্তেরহাটে চোখে আঘাতের চিকিৎসা নিতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, হাসপাতাল বন্ধ ক্ষেতলালে নানা কর্মসূচিতে ডায়াবেটিস সেবা দিবস পালিত লাইসেন্স ছাড়া সার বিক্রি: ক্ষেতলালে ব্যবসায়ীকে জরিমানা, ৫৭ বস্তা সার জব্দ সন্তানকে দানের পরও আজীবন সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার, আইন পাস নিয়ামতপুরের ছাতড়া গরুহাটির প্রধান সড়ক দখল করে মার্কেটের সিঁড়ি, চরম দুর্ভোগে পথচারী, ১১দলীয় জোটের লংমার্চে জাতি কি পেলো ১১দলীয় জোটের লংমার্চে জাতি কি পেলো জামায়াতের কার্যক্রমে অসন্তোষ, শার্শায় বিএনপিতে ২০ পরিবারের ৫০ সদস্য অভয়নগরে নারিকেল গাছের পাতা কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু রায়পুরে বসতঘরে আগুন, পুড়ে ছাই ১৫টির বেশি ঘর আশাশুনির বুধহাটাসহ ৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবদলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে ---------- সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীন লালপুরে পদ্মার চরে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প " পরিদর্শনে চীনের দল ফটিকছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ নাছির উদ্দীনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল মানবতার আহবান ফাউন্ডেশন কতৃক বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচী সম্পন্ন মধুপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন শ্যামনগরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক খামারীর মৃত্যু

শব্দ দূষণ রোধে আইনের কঠোরতা প্রয়োজন

সম্পাদকীয় ডেস্ক - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 14-11-2025 10:38:30 am

◾মু. সায়েম আহমাদ  : বাংলাদেশে শব্দ দূষণ এখন একটি ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত সমস্যা। শহরগুলোতে যানবাহনের হর্ন, নির্মাণকাজ, লাউডস্পিকার, কারখানার শব্দ; সব মিলিয়ে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) তথ্যমতে, অতিরিক্ত শব্দ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আমাদের দেশেও এ প্রভাব স্পষ্ট। ফলে স্বাভাবিক জীবনে ঘুমের সমস্যা, মাথাব্যথা, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং শ্রবণ শক্তি হ্রাসসহ নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে।


বিশেষত রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার মতো ব্যস্ত শহরগুলোতে যানবাহনের অতিরিক্ত হর্ন শব্দ দূষণের বড় কারণ। রাস্তায় অপ্রয়োজনে হর্ন বাজানো অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অনুমতি ছাড়াই লাউডস্পিকার ব্যবহারের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। নির্মাণকাজে নির্দিষ্ট সময়সীমা না মানা এবং মানহীন সাইলেন্সার ব্যবহার করাও শব্দ দূষণ বাড়ায়। 


এই অবস্থায় শব্দ দূষণ রোধে আইনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। প্রথমত, সরকারকে শব্দ নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। অপ্রয়োজনে হর্ন বাজালে বা নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা বৃদ্ধি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নির্মাণ কাজের সময়সূচি কঠোরভাবে মানা বাধ্যতামূলক করা উচিত। তৃতীয়ত, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লাউডস্পিকার ব্যবহারের অনুমতি ব্যবস্থায় কঠোর করতে হবে।


এর সঙ্গে জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল-কলেজে শব্দ দূষণ বিষয়ে শিক্ষা দেওয়া, গণমাধ্যমে প্রচার চালানো এবং সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া দরকার। প্রত্যেক নাগরিক যদি নিজে সচেতন হয় এবং অন্যকে সচেতন করে, তাহলে শব্দ দূষণ কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করি। মোদ্দা কথা, শব্দ দূষণ শুধু পরিবেশগত নয়, বরং এটি মানবিক সমস্যা। তাই এখনই শব্দ দূষণ রোধে কঠোর হতে হবে নিজের জন্য, সমাজের জন্য এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।


মু. সায়েম আহমাদ 

লেখক ও সংগঠক 


আরও খবর