বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী অভিযানে তিনজনের কারাদন্ড একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধ নোয়াখালী জেলা শহর, ভোগান্তিতে দেড় লাখ মানুষ চর আমখাওয়া ইউনিয়ন কৃষকদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন: সভাপতি মনিরুজ্জামান (মনি) ও সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক নারীর অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে খান ফাউন্ডেশন - মঈন খান তরুণরা হবে কাম্য জনসংখ্যা তৈরির মূল স্বপ্নদ্রষ্টা জয়পুরহাটে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার, ইজিবাইক উদ্ধার লাখাই থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা এবং নগদ টাকা সহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার। বাঁশখালীতে বন্যা কবলিত মানুষের কাছে ছুটে আসলেন,প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম জয়পুরহাটে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিশাল জনসভা চৌদ্দগ্রাম ২৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ২৩ বোতল বিদেশি মদ সহ ১জন গ্রেফতার বরিশালে ১০০ পিস ইয়াবাসহ দুই সতীন আটক মধুপুরে শুরু হলো ডিসি গোল্ডকাপ আশাশুনির বড়দলে জলমগ্ন এলাকা ও মসজিদ পরিদর্শনে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কলা ও সমাজবিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন, ফল ৩-৪ দিনে হালাল বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত: নাগেশ্বরীতে ‘বারাকাহ ক্যাটল প্রজেক্ট’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন লাখাইয়ে নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে মারা গেছে ইটালির নাগরিক শিশু আমেনা। জয়পুরহাট সীমান্তে ফের পুশইনের চেষ্টা, গ্রামবাসী-বিজিবির বাধায় শূন্যরেখায় ৩জন দিনাজপুরে আত্মগোপনে থাকা ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার দুই পক্ষের বিরোধে নির্মাণাধীন শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন প্রশাসনের হেফাজতে

‎মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস ৭ ডিসেম্বর

ছবি সংগৃহীত

‎মোংলা প্রতিনিধিঃ


‎৭ ডিসেম্বর মোংলা ও সুন্দরবন মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে এ এলাকা শত্রুমুক্ত করেন।


‎মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম শেখ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে ৭ ডিসেম্বর মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন এলাকা সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হয়। তখন সুন্দরবনে স্থাপিত পাঁচটি ক্যাম্পে সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে দামাল ছেলেদের দেওয়া হতো প্রশিক্ষণ।


‎প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সেখান থেকে সুবিধা মতো আক্রমণ চালাতেন মোংলা, মোড়লগঞ্জ, রামপাল, শরণখোলা ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাক বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। এছাড়া ওই সময়ে মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে থাকা পাক হানাদার বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এম.ভি মাকরনও ধ্বংস করা হয়।


‎আবুল হাসেম শেখ আরও বলেন ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক হানাদাররা নৃশংস গণহত্যা চালায় এ এলাকার নিরীহ মানুষের উপর। এখনো সেই গণহত্যার স্মৃতি বহন করছে মোংলার দামেরখন্ড ও রামপালের ডাকরার বধ্যভূমি।


‎আমরা যারা ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিলাম তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সুন্দরবন অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ। মেজর জিয়া, মুক্তিবাহিনী ও নৌ কমান্ডের ত্রিমাত্রিক আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয় পাক সেনারা। পশুর নদীতে পাক বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ মাকরনে মাইন বসিয়ে তা ডুবিয়ে দেয় মুক্তি নৌ কমান্ডের সদস্যরা। এরমধ্য দিয়েই ৭ ডিসেম্বর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় মোংলা ও সুন্দরবন।


‎স্বাধীনতার অনেক পরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার পক্ষ থেকে পৌর পার্ক এলাকায় নির্মিত হয়েছে একটি যুদ্ধ জাহাজ সংবলিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও আরেকটি বিজয় স্তম্ভ।


‎উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ১৯৭১ সালের দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতার যুদ্ধে মোংলা পোর্ট পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নের মোট ২৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

আরও খবর