লালপুরে মোমিনপুর মাদরাসায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শিক্ষকের বিদায় জাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমির হোসেন ভূঁইয়া আজ রাতেই ফ্রান্সের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দিদিয়ের দেশম, চমকের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব ইসলামপুরে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার মানোন্নয়নে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে কোরবানি পশু জবাই ও পশুর চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ‎মোংলায় ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে মাঝি নিখোঁজ আশাশুনি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা লাখাইয়ে ২১ঘন্টা পর ভেঁসে উঠলো সুতাং নদীতে নিখোঁজ সাদেকের লাঁশ। মানবিক সহায়তার আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জি.আর চাল বিতরণ চবিকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবির মেয়েরা ঈশ্বরগঞ্জ-উচাখিলা ১১ কিমি সড়ক খানাখন্দে বেহালদশা জয়পুরহাটে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনির জেলা বিএনপির মতবিনিময় পীরগাছায় অসহায় বাবার আকুতি: সন্তানের চিকিৎসায় প্রয়োজন প্রায় ৮ লাখ টাকা উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সেতুবন্ধন: খুলনা–পঞ্চগড় আন্তঃনগর ট্রেন চালুর জোর দাবি অধ্যাপক ডক্টর তরিকুল ইসলামের ধান পাকলেও মিলছে না স্বস্তি, চিটা ধানে কমতে পারে ফলন দেশে ভোটার বেড়েছে ৬ লাখ ২৮ হাজার ৫৭ জন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচরে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার, জড়িত সন্দেহে আটক পাঁচ জেলা ছাত্রদলের নবনির্বাচিত কমিটিকে কুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা ঢাকা উত্তর ছাত্রদলের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আদিল মিয়াকে কুলিয়ারচরে সংবর্ধনা

‎মোংলা ও সুন্দরবন এলাকা মুক্ত দিবস ৭ ডিসেম্বর

ছবি সংগৃহীত

‎মোংলা প্রতিনিধিঃ


‎৭ ডিসেম্বর মোংলা ও সুন্দরবন মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে এ এলাকা শত্রুমুক্ত করেন।


‎মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম শেখ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর এম.এ জলিল, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও কবির আহমেদ মধুর নেতৃত্বে ৭ ডিসেম্বর মোংলা বন্দর ও সুন্দরবন এলাকা সম্পূর্ণভাবে শত্রুমুক্ত হয়। তখন সুন্দরবনে স্থাপিত পাঁচটি ক্যাম্পে সেনা কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধায়নে দামাল ছেলেদের দেওয়া হতো প্রশিক্ষণ।


‎প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা সেখান থেকে সুবিধা মতো আক্রমণ চালাতেন মোংলা, মোড়লগঞ্জ, রামপাল, শরণখোলা ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকার পাক বাহিনীর ক্যাম্পগুলোতে। এছাড়া ওই সময়ে মোংলা বন্দরের পশুর নদীতে থাকা পাক হানাদার বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এম.ভি মাকরনও ধ্বংস করা হয়।


‎আবুল হাসেম শেখ আরও বলেন ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক হানাদাররা নৃশংস গণহত্যা চালায় এ এলাকার নিরীহ মানুষের উপর। এখনো সেই গণহত্যার স্মৃতি বহন করছে মোংলার দামেরখন্ড ও রামপালের ডাকরার বধ্যভূমি।


‎আমরা যারা ৯ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিলাম তাদের নেতৃত্বে ছিলেন সুন্দরবন অঞ্চলের সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দিন আহমেদ। মেজর জিয়া, মুক্তিবাহিনী ও নৌ কমান্ডের ত্রিমাত্রিক আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয় পাক সেনারা। পশুর নদীতে পাক বাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ মাকরনে মাইন বসিয়ে তা ডুবিয়ে দেয় মুক্তি নৌ কমান্ডের সদস্যরা। এরমধ্য দিয়েই ৭ ডিসেম্বর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় মোংলা ও সুন্দরবন।


‎স্বাধীনতার অনেক পরে মোংলা পোর্ট পৌরসভার পক্ষ থেকে পৌর পার্ক এলাকায় নির্মিত হয়েছে একটি যুদ্ধ জাহাজ সংবলিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও আরেকটি বিজয় স্তম্ভ।


‎উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ১৯৭১ সালের দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতার যুদ্ধে মোংলা পোর্ট পৌরসভা ও ছয়টি ইউনিয়নের মোট ২৩৯ জন মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

আরও খবর