চিলমারীতে "বিশ্ব শিক্ষক দিবস" পালিত ফুলের বদলে গাছের চারা দিয়ে এমপিকে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা শিক্ষক দিবসে ছয়সূতী ইউনিয়ন হাই স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেগঘন বার্তা অভয়নগরে ৪২০ টন সরকারি সার গায়েব: ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষার্থীকে মাদকে জড়ানোর অভিযোগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তবুও অবহেলিত শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নাঙ্গলকোটে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শরীয়তপুরে মুদি দোকানে ২০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে দুই হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা রঞ্জুর বাড়িতে ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস: স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও গভীর সমবেদনা সৌদিতে থেকেও মিছিলের মামলায় আসামি ইলিয়াস চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাসে মাদকের চালান: ৮৯ কেজি গাঁজা, ৬০ বোতল মদ জব্দ নিয়ামতপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত পীরগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী জুয়েল রানা সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে পীরগাছায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শিক্ষক ও শিক্ষায় প্রয়োজন সর্বোচ্চ বিনিয়োগ বাঘায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

বিধান চন্দ্র দেবনাথ ( Contributor )

প্রকাশের সময়: 15-12-2025 08:16:54 pm

বিধান চন্দ্র দেবনাথ


তিন বোন তাথৈ, আরাধ্যা আর রাজশ্রী । তারা কাকাতো জেঠাতো বোন। বয়স খুব বেশি নয়। তাথৈ আট, আরাধ্যা সাত আর রাজশ্রীর বয়স সাড়ে তিন। তারা সারাক্ষণ একসাথে বিভিন্ন খেলায় মেতে থাকে।  তারা তিন জনই খুব চঞ্চল ও মিষ্টি। রাজশ্রীকে যখন তার বাবা ঘুম পাড়ান তখন তার বাবা রাজশ্রীকে বিভিন্ন ধরনের গল্প, ছড়া ও কবিতা শোনান। যেমন রূপকথার গল্প, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গল্প। রাজশ্রীর বাবা যখন তাকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের গল্প শুনাচ্ছিলেন, কবে বাংলাদেশের  বিজয় দিবস এগুলো জানাচ্ছিলেন তখন রাজশ্রী তার বাবাকে জিজ্ঞাস করল-
আচ্ছা বাবা, বিজয় দিবস কী?
তখন তার বাবা রাজশ্রীকে বললেল-
১৯৭১ সালের ২৫ শে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙ্গালিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বাঙালিরা তাদের যার যা কিছু আছে তা দিয়েই পাকিস্তানি বাহিনীকে মোকাবেলা করতে থাকে। এভাবে নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের বাঙালিদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। সেইজন্যই এই দিনটিকে প্রতি বছর আমরা বিজয় দিবস হিসেবে পালন করি এবং প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। বিভিন্ন বছর তোমার দিদি তাথৈ ও আরাধ্যাকে আমাদের স্কুলে বিজয় দিবস পালন করতে নিয়ে গিয়েছিলান। তখন রাজশ্রী বলল-
 ঠিক আছে বাবা। তাহলে এই বছর দিদিদের সাথে আমিও তোমাদের স্কুলে যাবো। তখন তার বাবা বললেন-
 ঠিক আছে মামনি।
রাজশ্রীর বাবা একজন মাধ্যমিক স্কুল শিক্ষক। তিনি প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বরে স্কুলে যে অনুষ্ঠান থাকে সেখানে তারা দুই  জনকে অর্থাৎ তাথৈ আর আরাধ্যাকে  নিয়ে যান। রাজশ্রী এতোদিন ছোট ছিল তাই তখন সে তার বাবার সাথে স্কুলের ১৬ই ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানে যেতে পারে নি। আজ পরে কাল-ই ১৬ই ডিসেম্বর। আমাদের বিজয় দিবস। বাঙালি জাতির জন্য সেই দিনটি গভীর তাৎপর্যপূর্ণ এবং পুরো ডিসেম্বর মাসটিই বাংলাদেশিদের জন্য গৌরবের মাস। তাই রাজশ্রী তার বাবার কাছে বায়না ধরেছে সে তার বাবার সাথে স্কুলে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে যাবে এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যুদ্ধে যাঁরা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মিনারে ফুল নিবেদন করবে। এবং সেদিন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে।


আরও খবর