লোহাগাড়ায় দুর্গাপূজা ঘিরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচরে এমাদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্টিত কুলিয়ারচরে এমাদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্টিত চন্দনাইশে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু মঙ্গলবার পাটকেলঘাটায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা পুলিশ সুপার -আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম পীরগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঢাকা-রিয়াদগামী সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত এইচএসসির ফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ঈশ্বরগঞ্জে কন্যা শিশু দিবসে র‌্যালি আলোচনা সভা ঝিনাইগাতীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, চার মামলায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা ঈশ্বরগঞ্জে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে ॥ বাবার ৪ হাজার টাকা জরিমানা অবৈধ সার উৎপাদন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা সেনবাগে স্ত্রীকে নিয়ে যাওয়ার পর বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ লালপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত কুলিয়ারচরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম তথ্য সংগ্রহ অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত আশাশুনিতে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স আজ থেকে লাখাইয়ে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে সায়েন্টিফিক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স করেছে শান্তিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নাঙ্গলকোটে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ; সাংবাদিক হত্যার হুমকিতে থানায় জিডি

নাগরিক নিরাপত্তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের পূর্বশর্ত

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 24-12-2025 01:11:31 pm

◾মো:মাহিন উদ্দিন  : গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাচন শুধু ক্ষমতা বদলের প্রক্রিয়া নয়, এটি নাগরিক আস্থা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। আর এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে। তাই নির্বাচন ও নাগরিক নিরাপত্তা একে অপরের পরিপূরক। একটি ছাড়া অন্যটি পূর্ণতা পায় না।


নির্বাচনের সময় সাধারণ মানুষের প্রধান প্রত্যাশা থাকে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ। ভোটকেন্দ্রে যাওয়া থেকে শুরু করে ফল ঘোষণা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা না থাকলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি শুধু ভোটার উপস্থিতিই কমায় না, বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থাকে দুর্বল করে দেয়।


অন্যদিকে, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নাগরিক নিরাপত্তাকেও শক্তিশালী করে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নৈতিক ও সাংবিধানিক বৈধতা অর্জন করে। এতে রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়ে, সামাজিক অস্থিরতা কমে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর চাপও হ্রাস পায়।

নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা, ভোটারদের সুষ্ঠু প্রবেশাধিকার, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো ধরনের হিংসা, ভয় বা প্ররোচনার কারণে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে বাধাগ্রস্ত হলে নির্বাচনের সার্বভৌমত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়।


অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই নিরাপত্তার মধ্যে শুধু শারীরিক নিরাপত্তা নয়, তথ্যের নিরাপত্তাও অন্তর্ভুক্ত। তথ্যের স্বচ্ছতা ও নাগরিক সচেতনতা নিশ্চিত না হলে জনগণের ভোটাধিকার পূর্ণভাবে সঞ্চালিত হয় না।


এছাড়া নির্বাচনের নিরাপত্তা শুধু ভোটের দিন সীমিত থাকে না। প্রার্থী মনোনয়ন, প্রচারণা, এবং ভোট গণনার প্রতিটি ধাপে আইনশৃঙ্খলার দৃঢ় উপস্থিতি প্রয়োজন। দেশের অভিজ্ঞতা দেখায় যে, যেখানে নির্বাচনী নিরাপত্তা শক্তিশালী হয়েছে, সেখানে ভোটাররা নির্ভয়ে অংশগ্রহণ করেছে এবং ফলাফল স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধুমাত্র বাহিনীর উপস্থিতি নয়। এটি সমাজের প্রত্যেক স্তরের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের ফলও বটে। নাগরিকরা যখন শান্তিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করে, রাজনৈতিক দলগুলো যখন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলে, এবং প্রশাসন সময়মতো পদক্ষেপ নেয়, তবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।


বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা নিশ্চিত করতে না পারলে নাগরিক নিরাপত্তা যেমন হুমকির মুখে পড়ে, তেমনি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাও ক্ষুণ্ন হয়।


অতএব, যে কোনো দেশের গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো সুষ্ঠু নির্বাচন। আর সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয় কেবল তখনই যখন নাগরিক, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিলিতভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে কেবল হিংসা রোধ নয়, বরং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের আস্থা স্থাপন করা। এভাবেই নিরাপত্তাই দাঁড়ায় সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রধান ভিত্তি। নির্বাচন ও নাগরিক নিরাপত্তা আলাদা কোনো বিষয় নয়। নিরাপদ পরিবেশ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, আবার গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি নাগরিক নিরাপত্তাও টেকসই হয় না। গণতন্ত্রকে কার্যকর রাখতে হলে এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য ও সমন্বয় নিশ্চিত করাই সময়ের দাবি।


লেখক : মো:মাহিন উদ্দিন 

শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ

আরও খবর
6ac3b9837d6ba-051026085147.webp
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তবুও অবহেলিত

৭ দিন ১৪ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে






deshchitro-6ab375a3cd97b-230926124555.webp
ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম কি ও কেন

১৯ দিন ২২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে


deshchitro-6aa961a569e89-150926091757.webp
শিক্ষার সনদ নয়, দক্ষতাই হোক মূল পরিচয়

২৭ দিন ১৪ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে