বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের স্বপ্নের পায়রা সেতু পরিদর্শন চশমা নিয়ে চিলমারীতে জামান বিজয়ী ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে জানি’-ডকুমেন্টারি নির্মাণে ভোলা জেলায় ১ম হয়েছে লালমোহন হা-মীম স্কুল ৩ দিন ধরে পানি নেই বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, চরম দুর্ভোগে রোগীসহ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নার্সের অবহেলায় হাসপাতালে দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ দক্ষিনী সিনেমার সেরা অভিনেতা 'মহেশ বাবু' বরিশাল রেঞ্জ'র শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসন বরিশাল জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উদ্যোগে দুস্থ অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ প্রয়োজন সড়ক দূর্ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়র নিহত করোনাভাইরাস : সবচেয়ে কম শনাক্তের দিনে মৃত্যুশূন্য বরিশাল পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণে যেমনি পাশে আছি, তেমনি তাদের শৃংখলা রক্ষার্থে কঠোর থেকে কঠোরতম অবস্থানে রয়েছি-বিএমপি কমিশনার লক্ষ্মীপুরের মির্জাপুর এলাকার মাওঃনজীর আহমদ আর নেই লক্ষ্মীপুরের মির্জাপুর এলাকার মাওঃনজীর আহমদ আর নেই বরিশালের ঐতিহ্যবাহী দূর্গা সাগর দিঘি ও কালেক্টরেট পুকুরে পাছের পোনা অবমুক্ত বরিশালে বোনের জমি-ফ্লাট দখলে নিতে মাকে বাসা থেকে বের করে দিলো দুই ছেলে ফরিদপুরে কাশফুলের রাজ্য শেরপুরে মুজিব শতবর্ষ জেলা দাবা লীগ শুরু আজ ॥ শ্রীবরদীতে পুলিশের অভিযানে হেরোইনসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কুরবানীর ইতিহাস ও আমাদের শিক্ষা

সায়েম আহমাদ - এডিটর

প্রকাশের সময়: 16-07-2021 15:33:41

Photo caption : ছবি: মু, সায়েম আহমাদ

পৃথিবীতে যেমন অনেক জাতির মানুষ রয়েছে, তেমনি রয়েছে তাদের আনন্দ, বেদনা প্রকাশের বিভিন্ন ধরনের বিশেষ দিন। প্রত্যেক ধর্মেই ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালিত হয় যার যার ধর্মীয় নিয়ম অনুসারে। মুসলিম উম্মাহর জন্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান হচ্ছে দুইটি। একটি হচ্ছে ঈদুল ফিতর ও অন্যটি হচ্ছে ঈদুল আযহা। আর কিছুদিন পরেই ঈদুল আযহার আনন্দ মুসলিম জাতি পালন করবে। মুসলিম উম্মাহর জন্য ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। কেননা, মুসলিম উম্মাহ ধনী-গরীবের বৈষম্যের ভেদাভেদ দূর করে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঈদ উদযাপন করে থাকেন। কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কুরবানী আরবি শব্দ। যার অর্থ হলো; আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কোন জিনিস উৎসর্গ করা। ইসলামি কুরবানী হচ্ছে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট ব্যক্তির আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পুরস্কার লাভের আশায় নির্দিষ্ট পশু জবেহ করা। সামর্থবান প্রত্যেক মুসলমানের উপরে পরিবারের পক্ষ থেকে কুরবানী করা ওয়াজিব। যদিও কুরবানী ওয়াজিব না সূন্নাহ এ ব্যাপারে ওলামাদের মধ্যে মতভেদ আছে। তবে রাসূল (সা.) এর হাদীস থেকে জানা যায়, এটা ওয়াজিবের পর্যায়ভুক্ত। যেমন এই সম্পর্কে হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে,

"হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, যার কুরবানী করার সামর্থ থাকার পরও কুরবানী করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।” (সুনান ইবনে মাজা ও মুসনাদে আহমাদ) উক্ত হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, ইসলামে কোরবানীর গুরুত্ব কতটুকু দেওয়া হয়েছে।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা কোরবানির ইতিহাস সম্পর্কে ‌ জানতে পারি যে, আমাদের আদি পিতা হযরত আদম (আঃ) এর যুগ থেকেই কুরবানীর বিধানের সূত্রপাত ঘটে। আদম (আঃ) এর দুই পুত্র হাবীল ও কাবীলের কুরবানী করার ইতিহাস আমরা আল-কুরআন থেকে জানতে পারি। যেমন পবিত্র কুরআনের আলোকে আল্লাহ বলেন,

“আর তুমি তাদের নিকট আদমের দুই পুত্রের সংবাদ যথাযথভাবে বর্ণনা করো। যখন তারা উভয়ে কুরবানী পেশ করল। অতঃপর তাদের একজন থেকে গ্রহণ করা হলো। আর অপরজন থেকে গ্রহণ করা হলো না। সে বলল, অবশ্যই আমি তোমাকে হত্যা করব’। অন্যজন বলল, ‘আল্লাহ কেবল মুত্তাকীদের থেকে গ্রহণ করেন’।” (সূরা আল-মায়েদা-২৭)

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, হযরত আদম (আঃ) এর সময়কালে জমজ ভাইবোন বিবাহ করা হারাম ছিলো। কারণ মা হাওয়া (আঃ) এর গর্ভে দু'জন করে সন্তান জন্মগ্রহন করত। একটা ছেলে আর একটা মেয়ে। তাই আদম (আঃ) বড় ছেলে হাবিলের সাথে কাবিলের সাথে জন্ম নেওয়া আকলিমার সাথে এবং হাবিলের সাথে জন্ম নেওয়া কন্যা লিওযাকে কাবিলের সাথে বিবাহ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। এই দুই কন্যার মধ্যে আকলিমার চেহারা সুন্দর ছিল। তাই শয়তান কাবিলকে বলল, তোমার সহদরা বোনের চেহারা সুন্দর তুমি এর হকদার বা দাবিদার। কাবিল শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে বললো, আমার সাথে জন্ম নেওয়া বোন আকলিমাকে আমি বিবাহ করব। তখন হযরত আদম (আঃ) তাদের বললেন, তোমরা দুজনেই কুরবানী করো। যার কুরবানী কবুল হবে সেই আকলিমাকে বিবাহ করবে। তারা দুজনেই কুরবানী করলো। অতঃপর হাবিলের কুরবানী কবুল হলো। অর্থাৎ আল্লাহর কুদরতের মাধ্যমে আকাশ থেকে আগুন এসে খেয়ে ফেললো। কাবিলের কুরবানী কবুল হলোনা; ময়দানে পড়ে থাকলো। আর এখান থেকেই কুরবানীর ইতিহাস শুরু হওয়া।

আদম (আঃ) এর পুত্র কাবীল ও হাবীলের কুরবানীর পর থেকে ইবরাহীম (আঃ) পর্যন্ত কুরবানী চলতে থাকে। মূলত, মানবজাতির ইতিহাস যেখান থেকে কুরবানীর ইতিহার সেখান থেকেই। মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে যত শরীয়তের বিধান নাযিল হয়েছে, প্রত্যেক শরীয়তের মধ্যে কুরবানী করার বিধান জারি ছিল। প্রত্যেক উম্মতের ইবাদতের মধ্যে অপরিহার্য অংশ ছিলো কুরবানী। প্রত্যেক নবী-রাসূল এর সময়ও কুরবানী করার বিধান ছিল। আর এটার পরিপূর্ণতা পেয়েছে মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর সময় থেকে। হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর কাছে থেকে আল্লাহ তায়ালা কয়েকটি বড় পরীক্ষা নিয়েছিলেন। এর মধ্যে সবচেয় বড় পরীক্ষা ছিল, নিজের সন্তানকে কুরবানী করা। যেমন এই সম্পর্কে আল-কুরআনে বর্ণিত হয়েছে,

"অতঃপর যখন সে তার সাথে চলাফেরা করার বয়সে পৌঁছল, তখন সে বলল, ‘হে প্রিয় বৎস, আমি স্বপ্নে দেখেছি যে, আমি তোমাকে যবেহ করছি, অতএব দেখ তোমার কী অভিমত। একথা শুনে হযরত ইসমাইল (আঃ) জবাবে বললেন, হে আমার পিতা, আপনাকে যা আদেশ করা হয়েছে, আপনি তাই করুন। আমাকে ইনশাআল্লাহ আপনি অবশ্যই ধৈর্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত পাবেন’।” (সূরা সাফফাত-১০২)

অতঃপর হযরত ইবরাহীম (আঃ) সন্তানকে সাথে নিয়ে কুরবানী করার জন্য মক্কার অদূরে মিনার প্রান্তরে হাজির হলেন, পথিমধ্যে শয়তান তিন জায়গায় তাদেরকে প্ররোচনা দেয়। তারা দুজনেই শয়তানকে পাথর মেরে বিতাড়িত করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে, এই স্মৃতি মুসলিম মিল্লাতের মধ্যে ধরে রাখার জন্য আল্লাহ তাআলা হজ্জের জন্য এই স্থানে অবস্থিত জামারায় পাথর মারা ওয়াজিব করে দিয়েছেন। হযরত ইবরাহীম (আঃ) এবার সন্তানকে যবেহ করবেন এবং ইসমাইল (আঃ) নিজেও যবেহ হবেন। সবকিছুর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। হযরত ইবরাহীম (আঃ) যখন ছুরি চালাবেন ঠিক তখন আল্লাহ তাকে ডাক দিয়ে বললেন। আল-কুরআনে এ সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে,

"অতঃপর তারা উভয়ে যখন আত্মসমর্পণ করল এবং সে তাকে কাত করে শুইয়ে দিল, তখন আমি তাকে আহ্বান করে বললাম, হে ইবরাহীম, তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। নিশ্চয় আমি এভাবেই সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করে থাকি।” (সূরা সাফফাত-১০৩-১০৫)

আর এটা ছিল কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় যখন হযরত ইবরাহীম (আঃ) উত্তীর্ণ হলেন, তখন আল্লাহ তাআলা কুরবানী করার জন্য আসমান থেকে একটা পশু পাঠিয়ে দিলেন।

হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর পর থেকে আজ অবধি মুসলিম উম্মাহর মাঝে আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের জন্য আল্লাহর রাস্তায় প্রিয়বস্তু উৎসর্গ করার নমুনা হিসেবে পশু কুরবানী করার প্রচলনের পথচলা শুরু হয় এবং কিয়ামত পর্যন্ত এটা চালু থাকবে। যেমন এ সম্পর্কে আল-কুরআনে বর্ণিত হয়েছে,

"আল্লাহ তায়ালা বলেন, প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি কুরবানীর বিধান রেখেছিলাম। যাতে তারা উক্ত পশু যবেহ করার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে এ জন্য যে, তিনি চতুষ্পদ জন্তু থেকে তাদের জন্য রিযিক নির্ধারণ করেছেন।” (সূরা হাজ্জ-৩৪)

আমরা মুসলমানরা যে কুরবানী করি এটা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার শিক্ষা বুকে ধারণ করেই করি থাকি। হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর কুরবানী করার দিন থেকে প্রতি বছর হজ্জের জন্য যারা মক্কায় আসেন তারা মিনার প্রান্তরে গিয়ে শয়তানকে পাথর মারার পরে কুরবানীর নজরানা পেশ করেন এবং যারা হজ্জ করতে আসেনা অথচ আর্থিক স্বচ্ছলতা আছে তারাও আল্লাহর নৈকট্য পাওয়ার জন্য, আল্লাহকে খুশি করার জন্য তাদের নিজ এলাকায় কুরবানীর এই নজরানা পেশ করে। এটাই মুসলিম সমাজে কুরবানী বলে পরিচিত।

এই কোরবানী আমাদের জন্য ত্যাগ তিতিক্ষা বা উৎসর্গ হলেও অনেক কিছুর শিক্ষা দিয়ে যায়। মহান আল্লাহর তাওহীদ বা একত্ববাদ বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা করা কুরবানীর অন্যতম শিক্ষা। কারণ, একমাত্র বিশ্বজাহানের মালিক মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে, তার নামেই পশু কুরবানী দেয়া হয়। জগতের অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা যেখানে তাদের দেব-দেবির নামে কুরবানী করে, সেখানে মুসলিম উম্মাহ বা সমাজ কোরবানী দেয় একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। কুরবানীর গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমার্পণ করা। আল্লাহর সকল আদেশের সামনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মাথানত করে দেয়াই হল পূর্ণ আত্মসমার্পণের সমুজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ। ঈদুল আযহার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে আমরা হযরত ইবরাহীম (আঃ) ও তার পুত্র ঈসমাইল (আঃ)এর এরূপ পুর্ণ আত্মসমার্পণের চিত্রই পবিত্র কুরআনুল কারীমে দেখতে পাই। সকল কাজে ইখলাস বা একনিষ্ঠতাই ইসলামের মহান শিক্ষা। ইখলাস ছাড়া পরকালীন কোনো কাজই আল্লাহতায়ালা কবুল করেন না। আন্তরিকতা ও গভীর ভালোবাসা ছাড়া ইবাদত প্রাণহীন কাঠামো মাত্র। তাই কুরবানীও একমাত্র আল্লাহ তায়ালার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও আনুগত্যে হাসিলের জন্য দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ তায়ালার আদেশ, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার নিকট কুরবানীর পশুর গোশত ও রক্ত পৌঁছে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত তার নিকট তোমাদের তাকওয়া (ইখলাস) পৌঁছে’। (সূরা হাজ্জ্ব-৩৭)। ইখলাসপূর্ণ কুরবানী হওয়ার কারণেই আল্লাহ তায়ালা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর কুরবানী কবুল করে নিয়েছিলেন। কুরবানীর সুমহান দীক্ষা হচ্ছে তাকওয়াভিত্তিক জীবন-যাপন। জীবনের সকল ক্ষেত্রে তাকওয়া বা খোদাভীতি অর্জনই মুমিনের প্রকৃত সফলতা। বস্তুত আল্লাহ তায়ালা তার আমলকেই কবুল করেন, যার আমলে তাকওয়া বা খোদাভীতির সন্নিবেশন ঘটেছে। আদমপুত্র হাবিলের কুরবানী আল্লাহতায়ালা কবুল করেছিলেন তাকওয়ার প্রভাবের কারণেই। কাজেই আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাকওয়া বা খোদাভীতি থাকা প্রয়োজন। দরিদ্র ও অনাথের সুখে-দুঃখে অংশীদার কুরবানীর অন্যতম শিক্ষা। ঈদুল আযহার নামাজে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের সহাবস্থানের পাশাপাশি আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী ও দরিদ্র-অনাথের মাঝে কুরবানীর গোশত সুষ্ঠু বণ্টন আমাদের এই শিক্ষাই দেয় যে, আমাদের সম্পদে সমাজের সকল শ্রেণির মানুষের অধিকার রয়েছে।

সুতরাং, কুরবানী মুসলমানদের শুধুমাত্র ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং পরিশুদ্ধ জীবন গঠনের নিয়মতান্ত্রিক অনুশীলনও বটে। কুরবানীর মাধ্যমে মুসলমান তাওহীদী আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ইখলাস, তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমার্পণের অপূর্ব নজির স্থাপন করতে পারে। তাই, জাতি-ধর্ম-বর্ণ এমনকি করোনার মহামারিকালে নির্বিশেষ সকলের জীবনে এই ঈদ বয়ে আনুক সুখ-সমৃদ্ধি ও খুশির জোয়ার। ঈদ হোক দেশ-জাতির কল্যাণের এবং আত্মশুদ্ধি, সংযম, সৌহার্দ্য ও ভালাবাসার। পৃথিবী আসুক আবার আগের রূপে ফিরে, মানুষ বাঁচতে শিখুক নতুন ভাবে। পৃথিবীতে আবারো নতুন সূর্যোদয়ের আলো ঘটবে। এই শুভ প্রত্যাশা রেখে সবাইকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ।


মু, সায়েম আহমাদ

কলামিস্ট ও সংস্কৃতিকর্মী

সভাপতি, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, ঢাকা কলেজ শাখা



Tag
আরও খবর

আগামীর দিন শুধুই সম্ভাবনার

১০ দিন ৪ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে



পরিবেশ দূষণ মানব ধ্বংসের প্রধান কারণ

১৯ দিন ১৫ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে