যশোর-৩ (সদর) আসনের নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম।শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের মানিকদিহী গ্রামে যেন জনস্রোত নেমেছিল। সেখানে এক পথসভায় ধানের শীষের প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের কণ্ঠে শোনা গেল স্পষ্ট হুঁশিয়ারি আর আগামীর উন্নয়নের এক নতুন রোডম্যাপ।দীর্ঘ দেড় যুগের বঞ্চনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে অমিত বলেন, "বিগত বছরগুলোতে মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। ২০১৪, ১৮ কিংবা ২৪—জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতার অপব্যবহার আমরা দেখেছি। তবে এবার চিত্র ভিন্ন।" তিনি সাফ জানিয়ে দেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট চুরি বা ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। প্রতিটি কেন্দ্রকে দুর্ভেদ্য দুর্গের মতো পাহারা দেওয়ার জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।"ভোট লুট করার সাহস দেখালে জনগণই তা প্রতিহত করবে। আমরা শুধু ভোট দেব না, ফলাফল বুঝে নিয়ে তবেই মাঠ ছাড়ব।" — অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
নিজের পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে অমিত আবেগতাড়িত কণ্ঠে বলেন, তার পিতা মরহুম তরিকুল ইসলাম যশোরের প্রতিটি ইট-পাথরে উন্নয়নের ছোঁয়া রেখে গেছেন। বাবার সেই জনসেবার উত্তরাধিকারী হিসেবে তিনি এবার এলাকার জন্য বড় একটি স্বপ্ন দেখিয়েছেন। সদর উপজেলার কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির চাকা সচল করতে তিনি সেখানে একটি আধুনিক হিমাগার (Cold Storage) নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন।বক্তৃতায় অমিত একটি বিশেষ দিক তুলে ধরেন—উন্নয়নের রাজনীতি। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক বছরের তথাকথিত প্রতিনিধিরা কেবল দলীয় স্বার্থ উদ্ধার করেছেন। কিন্তু তিনি নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়ে যশোর-৩ আসনকে নতুন করে সাজাবেন।১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।কৃষকের জন্য আধুনিক কৃষি অবকাঠামো ও পথসভা শেষে স্থানীয়দের কণ্ঠে ধানের শীষের সমর্থনে স্লোগান এবং অমিতের বিজয়ী হওয়ার অঙ্গীকার নির্বাচনী সমীকরণকে আরও চাঙা করে তুলেছে।
৪ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে