আশি-নব্বইয়ের দশক, সহজ জীবনের সেই সোনালি দিনগুলো শ্রাবণের দিনে বৃষ্টি-রোদের খেলা আমি ক্ষমতায় থাকতে ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না: নেতানিয়াহু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গাজী নজরুল ভোট দিতে পারবেন কিনা, জানালেন শিশির মনির সালমান শাহ হত্যা মামলা গ্রেপ্তার খলনায়ক ডন কারাগারে চার আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনায় ৬ কমিটি বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি, অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে আদমদীঘিতে মোবাইল ফোন কিনে না দেয়ায় বিষপানের তরুনের মৃত্যু ‎অভাবের চরম শিখরে চুল বিক্রির ঘটনা: অসহায় রেহানার পাশে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মেলান্দহ থানার দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত ছাড়াই 'জামিন অযোগ্য’ ধারায় মামলা নেওয়ার অভিযোগ, কর্মকর্তাদের দাবি, 'চিকিৎসা সনদ অনুযায়ী প্রতিবেদন দেওয়া হবে' বাঘায় ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়ার অভিযোগে শিক্ষককে বহিস্কারের দাবি শিক্ষার্থীদের ডোমারের ইউএনও সহ ৮৩ জনকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ ক্লাসের পড়া ক্লাসে পড়ালে কোনো ছাত্র-ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়তে হবে না’ : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জাবিপ্রবিতে ‘লোকাল অ্যাকশন, গ্লোবাল গোলস’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে হাওর অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বিনামূল্যে নৌকা সার্ভিস উদ্বোধন লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষের চারা বিতরণ লাখাইয়ে প্রয়াত ধলাই মিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত। আশাশুনির বুধহাটায় ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে ৩ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা ‎রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্যোগে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

‘যা খেতে মন চায়’ দিবস আজ, যেভাবে এর সূচনা

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 11-05-2026 12:55:17 pm

আজ ১১ মে, ‘ইট হোয়াট ইউ ওয়ান্ট ডে’। বছরের অন্য সময় ডায়েট, ক্যালরি আর ওজন নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও আজকের দিনটি একটু ভিন্ন।


এই দিনের বার্তা হলো, কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই এক দিনের জন্য হলেও পছন্দের খাবার উপভোগ করুন। বিরিয়ানি, পিৎজা, বার্গার কিংবা প্রিয় মিষ্টান্ন- যা খেতে মন চায়, আজ সেটিই আনন্দের সঙ্গে খাওয়ার দিন।


কীভাবে এবং কেন আসলো এই দিন?

‘ন্যাশনাল ইট হোয়াট ইউ ওয়ান্ট ডে’ শুরু করেন যুক্তরাষ্ট্রের লেখক ও রেডিও ব্যক্তিত্ব দম্পতি থমাস রয় এবং রুথ রয়। তারা বিভিন্ন মজার ও ব্যতিক্রমধর্মী দিবস চালুর জন্য পরিচিত ছিলেন।


এই দিনটি পালনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে কঠোর ডায়েট ও খাবার নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা থেকে অন্তত এক দিনের জন্য মুক্তি দেওয়া। আধুনিক সময়ে ওজন কমানো, ক্যালরি গণনা ও নিখুঁত শরীরের চাপ অনেকের জীবনকে মানসিকভাবে ক্লান্ত করে তোলে। সেই চাপ কমিয়ে মানুষকে নিজের পছন্দের খাবার আনন্দের সঙ্গে খেতে উৎসাহ দিতেই এই দিবস চালু করা হয়।


ধারণা করা হয়, ১৯৯০–এর দশকের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রে দিনটি পালন শুরু হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন লাইফস্টাইল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এটি জনপ্রিয়তা পায়। এখন বিশ্বের অনেক দেশেই দিনটি অনানুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়।



ডায়েট সংস্কৃতির বাস্তবতা


গবেষণায় দেখা গেছে, কঠোর ডায়েট অনেক সময় উল্টো ফল দেয়। দীর্ঘদিন খাবার নিয়ন্ত্রণ করলে মানুষ পরে অতিরিক্ত খাওয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েন। এছাড়া শৈশব থেকেই অনেক শিশু ‘ভালো’ ও ‘খারাপ’ খাবারের ধারণা নিয়ে বড় হয়, যা ভবিষ্যতে শরীর নিয়ে অসন্তুষ্টি তৈরি করতে পারে।


মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের প্রিয় খাবারের সঙ্গে স্মৃতি ও আবেগের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই পছন্দের খাবার সাময়িকভাবে মন ভালো করলেও অতিরিক্ত খাওয়া দীর্ঘমেয়াদে সুখ দেয় না।


তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো- খাবার উপভোগ করুন, তবে ভারসাম্য বজায় রেখে। সূত্র: ডেজ অব দ্য ইয়ার