রাজনীতির রাজপথ কখনো মসৃণ হয় না, তবে ত্যাগ, সততা আর নিখাদ জনসেবা দিয়ে মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী আসন গড়ে তোলা যায়, তারই অনন্য প্রমাণ সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এস এম সোহেল মাহমুদ রঞ্জু। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ৩নং বহুলী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের আস্থার শেষ ঠিকানা এখন তিনি। সর্বস্তরের মানুষের পাশে থেকে এবং হাজারো প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজও তিনি বহুলীবাসীর সুখ-দুঃখে এক অবিচল বটবৃক্ষের মতো অটল দাঁড়িয়ে আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি বহুলী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে পুরোপুরি উৎসর্গ করেছেন এস এম সোহেল মাহমুদ রঞ্জু। দলের তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে এলাকার খেটে খাওয়া আপামর জনতার বিপদে আপদে সবার আগে হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। বৈরি আবহাওয়া কিংবা রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও জনবিচ্ছিন্ন না হয়ে সবসময় মানুষের সুখ-দুঃখের অংশীদার হয়েছেন তিনি।
এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, কোনো প্রকার প্রচার প্রচারণা বা অহংকার ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে নিরবে নিভৃতে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন এস এম সোহেল মাহমুদ রঞ্জু। দুস্থ ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অভাবী পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া এবং সামাজিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার কারণে সাধারণ মানুষের মনে তিনি বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। প্রবীণ থেকে শুরু করে তরুণ সমাজ সবাই তাঁকে এক নামে সাদা মনের মানুষ হিসেবে চেনে। তাঁর অমায়িক ব্যবহার, সততা ও সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা তাঁকে এই এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
আগামী ৩নং বহুলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীরা এখন একসুরে তাঁকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান। বহুলীবাসীর দাবি, সোহেল মাহমুদ রঞ্জুর মতো একজন পরীক্ষিত, মানবিক ও সৎ নেতাকেই তারা বহুলী ইউনিয়নের কাণ্ডারী হিসেবে পেতে চান।
এলাকার প্রবীণ নাগরিকরা জানান, "আমাদের বহুলী ইউনিয়নে এমন একজন মানুষের প্রয়োজন, যিনি নিজের কথা না ভেবে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন। সোহেল মাহমুদ রঞ্জু ভাই সবসময় আমাদের পাশে থেকেছেন। এমন সাদা মনের মানুষ চেয়ারম্যান হলে বহুলী ইউনিয়ন একটি আধুনিক ও আদর্শ এলাকায় পরিণত হবে।
জনসেবার বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম সোহেল মাহমুদ রঞ্জু বলেন, "রাজনীতি আমার কাছে পদ-পদবি বা ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের সেবা করার একটি উপায়। বহুলী ইউনিয়নের মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আগামীতে বহুলীবাসীর ভালোবাসা ও সমর্থনে যদি দায়িত্ব পাই, তবে এই অঞ্চলকে একটি শোষণমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলব। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন মানুষের সেবা করে যেতে পারি—এটাই আমার একমাত্র চাওয়া।
৩ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
২০ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
১ দিন ১ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
১ দিন ৪ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে