রংপুরের পীরগাছায় বসতবাড়ি ভাঙচুর ও প্রায় ২০০ থেকে ২৫০টি বাঁশ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আপন বোন, বোন জামাইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করেছেন ভুক্তভোগী মোরশেদা বেগম।
মোরশেদা বেগম উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের উত্তর অনন্তরাম গ্রামের মৃত মনসুর আলীর মেয়ে। তাঁর অভিযোগ, জীবিকার প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থানের সুযোগে তাঁর বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে এবং গাছপালা ও বাঁশ কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে আনুমানিক ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় আপন বোন লাইলী বেগম, বোন জামাই মাহবুবার রহমান ও রমজান আলীকে দায়ী করেছেন মোরশেদা। তাঁর দাবি, ২০২২ সালেও তিনি তাঁদের পক্ষের লোকজনের হাতে নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছিলেন। সে সময় থানায় যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ভয়ে কেউ তাঁর পাশে দাঁড়াননি।
মোরশেদা আরও অভিযোগ করেন, বিচার-সালিশে অংশ নিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বাড়িতে গেলে তাঁকে মারধর করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি জানান, গত মঙ্গলবার ও শুক্রবার বাড়িতে বাঁশ কাটার খবর পেয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তাঁকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে মোরশেদা বলেন, “আমি একজন গরিব মানুষ। আমার বসতবাড়ি ও গাছপালার ক্ষতির প্রতিকার চাই। নিজের বাড়িতে যেন নিরাপদে বসবাস করতে পারি, সে জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা কামনা করছি।”
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে লাইলী বেগম ও মাহবুবার রহমান বাঁশ কাটার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তাঁরা নিজেদের অংশের বাঁশ কেটেছেন বলে দাবি করেন।
ভুক্তভোগী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
২ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১৭ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১ দিন ৪২ মিনিট আগে
১ দিন ৪৪ মিনিট আগে