মিরসরাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়েরের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ক্ষেতলালে যুবকের মরদেহ উদ্ধার হামের রোগীদের দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামী এক মাসের মধ্যেই রামিসা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হবে: প্রধানমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ দুটি আমের জন্য শিশুকে অমানবিক নির্যাতন সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীমঙ্গলে সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগরে সুন্দরবন সংরক্ষণ ও যুবদের ক্ষমতায়নে আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন লাখাইয়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা ও বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত। লাখাইয়ে পার্টনার কংগ্রেস -২০২৬ অনুষ্ঠিত। ‎কুতুবদিয়ায় পুকুরে ডুবে ৭ বছর বয়সী শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কে বাস মিনিট্রাক সংঘর্ষ জয়পুরহাটে ট্রাকের চাপায় মাহফুজুল ইসলাম নামের এক এনজিও কর্মীর মৃত্যু রায়পুরে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ স্থানীয়দের লালপুরের ৩নং চংধুপইল ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত ঈদুল আযহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়নস ট্রফি বরিশালে হেযবুত তওহীদ ছাত্র ফোরামের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে চলন্ত মাহেন্দ্র থেকে পরে যুবকের মৃত্যু। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়ল লালপুর-বাগাতিপাড়ার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত এমপি সানজিদা ইয়াসমিন তুলি শশুরবাড়িতে বেড়াতে এসে লাশ হলো জামাই

গণহত্যার স্বীকৃতি চাইলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 25-03-2023 03:57:31 pm

২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিচালিত ‘অপারেশন সার্চলাইট’কে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি চেয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।


শনিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।


সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক শাসনের কবল থেকে মুক্তি চেয়েছিল বাঙালি জাতি, তাদের স্বপ্ন ছিল নিজেদের মতো সুন্দর জীবন যাপন করা। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকরা ঝাঁপিয়ে পড়ে ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ২৫ মার্চের কালরাতে। ইয়াহিয়া খান আর বিশ্বস্ত কসাই টিক্কা খানকে দায়িত্ব দেন বাঙালি জাতিকে নিধন করার। তারা এর নাম দেয় ‘অপারেশন সার্চলাইট’। এই এক রাতেই তারা শুধু ঢাকা শহরে ৭ হাজারের ওপর মানুষকে মেরে ফেলে। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে বাংলাদেশের ৩০ লাখ মানুষ শহিদ হয়, আর পাকিস্তানি ঘাতকদের কাছে সম্ভ্রম হারান দুই লাখেরও বেশি মা-বোন। 


বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ তখন হারিয়ে যায় মুক্তিযুদ্ধের ওই ৯ মাসেই। ভারতে শরণার্থী হয় প্রায় ১ কোটি মানুষ। অথচ আজ পর্যন্ত এই গণহত্যাকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, কারণ তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাদে সব পরাশক্তিই ছিল পাকিস্তানি হত্যাকারীদের পক্ষে।


তাই আজ আমরা দাবি জানাই, পাকিস্তানি ঘাতকদের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য আত্মত্যাগকারী সব মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনা মায়ের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি’।

আরও খবর