দেশের চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত ২৯ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নদীতে নামার প্রস্তুতি জেলেদের কুলিয়ারচরে এলজিইডির সড়ক নির্মাণে অনিয়মের মহোৎসব: ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নোয়াখালীতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের মতবিনিময় তারেক রহমান সরকারের দেশ গড়ার প্রচেষ্টায় জোরালো সমর্থন দেবে জাপান নাঙ্গলকোটের হেসাখালে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নাঙ্গলকোটে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ, সেবায় সন্তুষ্ট উপকারভোগীরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীতে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ধামরাইয়ে খাল ভরাট ও গাছ কাটায় বাধা: ৫ দিন পর চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু, মামলা হত্যায় রূপান্তর ডোমারে জমির ন্যায্যমূল্যের দাবিতে মানববন্ধন শীতের আগমনে সুস্থ থাকতে প্রয়োজন বাড়তি শরীরচর্চা ও যত্ন এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন জাতীয় নাঙ্গলকোট বাজার ব্যবসায়ী সংস্থার নির্বাচনে কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থী জসিম উদ্দিনের গণসংযোগ কুলিয়ারচরে ভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন নড়িয়ায় জেন্ডার স্টেরিওটাইপ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি অ্যাকশন প্রজেক্ট অনুষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর উদ্যোগে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থান প্রতিষ্ঠায় যুব সেমিনার অনুষ্ঠিত লাখাইয়ে গাঁজাসহ আটক সাইদুলের ৪ মাসের কারাদণ্ড। ঈশ্বরগঞ্জে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত লাখাইয়ে দেশি মাছের সংকট,শুঁটকি উৎপাদনকারীরা বিপাকে ডোমারে হাবিবুল হক দুলাল মাস্টার স্মরণে শোকসভা

অভয়নগরের খিরাই শসা গাছ নষ্ট , কৃষকের মাথায় হাত

© ছবি: হতাশাগ্রস্থ কৃষক রবিউল ইসলাম


যশোরের অভয়নগরে বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর পরিমানে শাসা চাষ হয়ে থাকে। বিশেষ করে শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালি, দিঘীরপাড় রাঙ্গারহাট, হরিশপুর,পাথালিয়া কোদলাসহ বিভিন্ন এলাকায় চাষিরা প্রচুর পরিমাণে শসা উৎপাদন করে থাকে, দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হল এবার কৃষকেরা রমজান মাসে শসা বিক্রি করবে সে আশায় বুক বেঁধেছিল। সেভাবেই তারা যত্নসহকারে আগেভাগেই চাষাবাদ  শুরু করে কিন্তু বিরূপ আবহাওয়ার কারণে শসা গাছ নষ্ট হয়ে গেছে যা কৃষকদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে, রোদ আর ভাইরাসে গাছ মরে যাওয়ায় কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। 



উপজেলার পুড়াখালী গ্রামের রবিউল ইসলাম জানান আট কাঠা জমিতে শসা লাগিয়েছি খুব আশা ভরসা নিয়ে প্রথম দিকে গাছের চেহারা খুবই ভালো ছিল বর্তমানে গাছ লালচে হয়ে ডগা ছোট হয়ে আসছে ফল নেই,খুব দুশ্চিন্তায় আছি, লাভ তো দূরের কথা আসল টাকায় উঠবে না, মাচায় গাছ ওঠার আগেই ফসল শূন্য। 


আরেক চাষী মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন ২৫ কাঠা জমিতে শসা চাষ করেছি ব্যাপক উৎসাহ  নিয়ে রমজান মাসে বাম্পার ফলন পাব, কিন্তু গাছ একদম নষ্ট হয়ে গেছে,নিরুপায় হয়ে শসা গাছের ভিতরে উসতে গাছ লাগিয়ে দিয়েছি। এ পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকা মতো খরচ হয়ে গেছে বাজারে শসা নেওয়ার মত কোন পরিবেশ নেই। 


কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টায় কৃষকরা জমিতে ফসলের চাষ করে। কিন্তু বিভিন্ন রোগবালাই,আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয় না। এর পরিবর্তে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে হতাশায় ভুগতে হয়। এরপরও এ উপজেলার কৃষকরা থেমে থাকেনি। তারা মৌসুম অনুযায়ী অন্য ফসল চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। লাভের চেয়ে লোকসানের পাল্লা ভারী হলেও কৃষিতেই তাদের জীবন চলে। তাদের উৎপাদিত শসা নিজ জেলায় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হয়।


জানা গেছে, অভয়নগর  উপজেলার  বিভিন্ন ইউনিয়নে  শসা উৎপাদন হয়।কিন্তু রোদে গাছের পাতা পুড়ে গেছে। ফলনও আশানুরূপ হয়নি। লাভ দূরের কথা, মূল টাকা ওঠে কি না তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ।


আরও খবর