শিক্ষকদের অন্তক্রন্দল ও সমন্বয়ের অভাবে সুষ্ঠুভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা বিঘ্নিত হবার কারনে হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারন শিক্ষার্থীরা ।আর এই অচলাবস্থা থেকে পরিত্রাণে এবং সুষ্ঠুভাবে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার নিমিত্তে দিনাজপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেছেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার শাহানা আফরোজ ।
গত ১৫অক্টোবর জেলা প্রশাসক কার্যালয় দিনাজপুরের
জেলা প্রশাসক(ভারপ্রাপ্ত)সোহাগ চন্দ্র সাহা সাক্ষরিত এক আদেশে ১৬অক্টোবর সকাল ৯টায় দিনাজপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে সহকারী কমিশনার শাবানা আফরোজ যোগদান করেন।
উল্লেখ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ মনোরঞ্জন রায়,সাবেক অধ্যক্ষ এবিএম বেলালুজ্জামান ও ডাঃ কুদরত ই খুদার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ভর্তি,ফরম ফিলাপ ,অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থেকেও হাজিরা খাতায় সই ,শিক্ষার্থীর বেতন মওকুপের পরও অতিরিক্ত অর্থ আদায় সহ সেঞ্চাচারিতার একাধিক অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন,মানববন্ধনসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন শিক্ষার্থীরা।এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫আগষ্ট সাবেক জেলা প্রশাসক শাকিল আহমেদ এর কাছে শিক্ষার্থীরা ১২দফা দাবি এনে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন ।এর প্রেক্ষিতে ২০আগষ্ট জেলা প্রশাসক নোটিশ করে ম্যানেজিং কমিটির সভা আহ্বান করে।ঐ দিন শিক্ষার্থীদের ১২দফার উপর ভিত্তি করে সভায় ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডাঃ মনোরঞ্জন রায়কে অধ্যক্ষের পদ থেকে অপসারন করা হয় এবং নতুন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নাম প্রকাশ করতে বললে শিক্ষার্থীরা কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধি ডাঃ জাহিনা আক্তারের নাম প্রকাশ করে।কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের মত পার্থক্য দেখা দেয় ।এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের জোরালো দাবির মুখে মতামতের ভিত্তিতে সাময়িক দায়িত্ব পালনের জন্য ডাঃ জাহিনা আক্তারকে মৌখিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেয়।কিন্তু ডেকোরাম ও নিয়ম নীতি অনুযায়ী কোন মৌখিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ব্যাংক হিসাবসহ প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাগজে সই করতে পারবে না।ফলে শিক্ষার্থীদের ফরমফিলাপে দেখা দেয় নানা জটিলতা ।অবশেষে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে জীবনের চিন্তা করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের নির্বাহী আদেশে সহকারী কমিশনার শাবানা আফরোজকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।বর্তমানে তার অধীনেই চলবে কলেজের যাবতীয় কার্যক্রম ।