তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে' গাইবান্ধায় বি.এন.পি. অফিস ভাংচুরের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জু ও জসিম গ্রেফতার। লোহাগাড়া উপজেলা যুবদল কতৃক ঈদ পূনর্মিলনী ও কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সম্মননা স্মারক প্রদান অনুষ্টান সম্পন্ন। শ্রীমঙ্গলে দুর্লভ প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার অতিরিক্ত যাত্রী তোলায় যমুনায় নৌকাডুবি : একজনের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ২ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পরকীয়া সন্দেহে স্বামীর লিঙ্গ কেটে দিলো স্ত্রী চৌমুহনীর নৃশংস হামলায় মন্দিরে নতুন "বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা" জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের মন্দির পরিদর্শন অভয়নগরে ফুচকা খেয়ে অসুস্থ রুগীদের পাশে খেলাফত মজলিসের নেতৃবৃন্দ এক্ষুনি বিশ্বনাথের ইউএনও'র লাগাম টেনে ধরুন ওয়াপদার নিচে ঘের মালিকদের বসানো অবৈধ পাইপ লাইন অপসারনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে" ---খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ফিরোজ সরদার। এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫ বিদায়ী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চর বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দাবিতে চিলমারীতে মানববন্ধন আনুলিয়ায় প্লাবিত মানুষের মাঝে সুপেয় পানি বিতরণ শুরু জমকালো আয়োজনে যদুনাথ রি-ইউনিয়ন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত প্লাবিত এলাকা পরিদর্শণে বিভাগীয় কমিশনার, ত্রাণ ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান চকরিয়ায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন পুড়ে ৮ বসতবাড়ি ঈদের ছুটিতে মৌলভীবাজারের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে

নড়াইলের কালিয়ায় উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর পূর্বপাড়া গ্রামে নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়েছে অন্তত ২৫ থেকে ৩০ টি পরিবার।

নড়াইলের কালিয়ায় উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর পূর্বপাড়া গ্রামে নদী ভাঙ্গনে নিঃস্ব হয়েছে অন্তত ২৫ থেকে ৩০ টি পরিবার। খোলা আকাশের নিচে মানবতার জীবনযাপন করেছি পরিবারগুলো ।

মঙ্গলবার (১অক্টোবর) দুপুরে খুলনা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো.সবিবুর রহমান ও জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এর আগে গত (২১ সেপ্টেম্বর) শনিবার ও (২৫ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সন্ধ্যার এ নদী ভাঙ্গনের সর্বশান্ত হয় পরিবারগুলো।

ভুক্তভোগীরা জানান, আকস্মিক এ নদী ভাঙ্গনের মুহূর্তের মধ্যে গ্রামের,মাকসুদ ফকির, রিলু ফকির, মাহাবুর ফকির, রোকেয়া বেগম, এমদাদ মাস্টার, রিনা বেগ, কালু সরদার, জনি শেখ, শহিদুল মোল্লাসহ ১১ টি পরিবারে বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাইয়। পরবর্তীতে আরো ১৫ থেকে ২০ টি পরিবার কিছু মালামাল সরাতে পারলেও রক্ষা হয়নি বসত ভিটা। এছাড়া তীরবর্তী মসজিদসহ অনেকগুলো পরিবার রয়েছে মহা আতঙ্কে অনেকের ফসলে জমিও বিলীন হয়েছে নদীগর্ভে।অতি দ্রুত নদী শাসনের ব্যবস্থাসহ পুনর্বাসনের দাবী জানান ভুক্তভোগী পরিবার গুলো। এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো.সবিরুর রহমান, বার্তা বাজার কে বলেন, মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি অবগত হয়ে সরজমিনে এসেছেন। এখানকার ভাঙ্গনের প্রবনতা কী ভাবে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা যায় সে ব্যবস্থা নিবেন এবং শীঘ্রই নব গঙ্গা নদীতে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা চিহ্নিত করে স্থানীয়ভাবে ভাঙ্গন রোধে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করবেন।

আরও খবর