টাঙ্গাইল জেলার সকল নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করা লক্ষে ৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন নন-এমপিও শিক্ষকবৃন্দ। গতকাল বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলার নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি আবু ছাইদ সিদ্দিকী এবং সাধারাণ সম্পাদক
বাবুল আক্তারসহ সকল শিক্ষক-কর্মচারীদের স্বাক্ষরিত স্মারকলিপি জেলা প্রশাসককে প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে ৪ দফা দাবি করে বলেন, পতিত সরকার পরিকল্পিতভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছে। ৫ আগস্ট বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতা বৈষম্যবিরোধী দেশ গড়ার যে স্বপ্ন আমাদের দেখিয়েছে, তাতে আমরাও নতুন করে স্বপ্ন দেখছি। শিক্ষা উপদেষ্টা মহদয়ের গতিশীল নেতৃত্বে মাধ্যমিক শিক্ষা আবার জেগে উঠবে। আপনার এ স্বপ্নযাত্রায় আমরাও আপনার সহযাত্রী হতে প্রস্তুত।
নন-এমপিও শিক্ষকরা জানান, ১. শিক্ষা কারিকুলাম এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদান প্রক্রিয়া সরকারি, এমপিও, নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীগণ বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত এবং চরমভাবে বৈষম্যের শিকার। ২. কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের বয়স ২৫ বছর বা তার চেয়েও বেশি। অনেক শিক্ষক-কর্মচারী বিনা বেতনে অবসরে গেছেন, কেউ কেউ বেতন বিধীন অবস্থায় রোগে শোকে মৃত্যুবরণ করেছেন। ৩. এমপিওভুক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া সরকার প্রতিবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করবেন। দুঃখের বিষয়, বিগত সরকার নির্বাহী আদেশে কিছু সংখাক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক বিবেচনায় শর্ত শিখিলপূর্বক এমপিওভুক্ত করেছেন। প্রয়োজনীয় যোগ্যতা থাকার পরেও অনেক নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তি হতে বঞ্চিত করেছেন। ৪. প্রতিবছর বাজেটে নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণের জন্য অর্থ বরাদ্দ থাকলেও অদৃশ্য কারণে এমপিওভুক্তকরণ বন্ধ রাখা হয়।
নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের মানবেতর জীবনযাপনের অবসান ঘটিয়ে বর্তমান সৃজনশীল সরকার নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটাবেন। পরিবার পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবে। নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হয় এবং সরকারের সকল আদশ-নির্দেশ পালনে বদ্ধপরিকর। এমপিওর দাবিতে ঢাকায় সভা-সমাবেশ, মানববন্ধনের মতো শান্তিপূর্ণ কমসূচিতেও পিপার স্প্রে, জলকামান, টিয়ার সেল এমনকি লাঠিচার্জ করে শিক্ষক-কর্মচারীদের তাড়িয়ে নিয়েছিল বিষত বৈবচারী
২৩ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
২ দিন ৪ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
২ দিন ৪ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
৪ দিন ২০ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৬ দিন ১ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৭ দিন ৫৫ মিনিট আগে
৮ দিন ২ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
৮ দিন ১১ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে