ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে'

জীবনে পাওয়া না পাওয়ার হিসাব।

পাওয়া বা না পাওয়ার হিসাব টা সবক্ষেত্রে সমান নয়। একজন হয়তো ঠিক যেমন টা চাইছেন, ঠিক পাশের জন ভাবছেন একেবারে উল্টো। আপনার চাহিদা আর পাশের একজনের চাহিদা সম্পূর্ণ ভিন্ন হতেই পারে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই যে, আমরা চাইছি এক, পাই আর এক। যে জিনিসটা খুব করে চাইছি, যে মানুষটাকে খুব করে চাইছি, তা সরে যাচ্ছে অনেক অনেক দূরে। তার মানে কী এই, যে আমাদের যোগ্যতায় সেই জিনিস অথবা মানুষ টা আসে না। আসলেই চাহিদা টা একটু বেশি। অথবা বদলেছে চাওয়ার ধরণ?

ভাবুন একটু। মন দিয়ে ভাবুন। হয়তো একটা সময় যেই মানুষটার প্রতি টান ছিল অনেক অনেক বেশী, আজ কি সেই মানুষটার সাথে কথা বললেই বিরক্ত বোধ হচ্ছে? তার যেই স্বভাব গুলো আপনি কিছুদিন আগেও খুব খুব পছন্দ করেছেন, আজ কী সেইগুলোই অসহ্য বোধ হচ্ছে?

সত্যি বললে, একটু অবাক ই হবেন। এইটা খুব ই স্বাভাবিক একটা বিষয়। অন্তত আমার তাই মনে হয়। মানুষের মন সর্বদা নতুন খোঁজে। নতুন মানুষ, নতুন জিনিস। তবে, সম্পর্ক বলতে আমরা বুঝি চিরন্তন একটা সত্য। একটা মানুষ, একটাই আবেগ। দিনে দিনে বাড়তে হবে। আরও শক্ত করে হাত ধরতে হবে, তাইতো?

তাহলে উপায় টা ঠিক কী?.

পুরাতন জিনিস নাহয় খারাপ বা নষ্ট হলে আপনি ফেলে দিলেন, অথবা চোখের সামনে থেকে সরিয়ে দিলেন। কিন্তু মানুষ? তাকে তো আগলে নিতে হবে। আরও বেশী বুকে জড়িয়ে নিতে হবে।

এইখানে ই ভাবনা এর পরিবর্তন প্রয়োজন। যে মেয়েটাকে সবসময় খোঁপায় গোঁজা গোলাপ দেখে এসেছেন। একদিন, অন্তত একদিন সাধ করে চন্দ্রমল্লিকা এনে নিজের হাতে খোঁপায় গেঁথে দিন। মানুষ টা কিন্তু এক ই থাকলো। বদলে গেল তার রঙ, তার সৌন্দর্য। চোখের কোনে একটু কাজল দিলে আর একটু সুন্দর। আর একটা ছোট্ট রঙিন টিপ। না হয় রঙ মিলিয়ে না ই হলো। সবটাই সবসময় মিলে যেতে হবে, তেমন তো কোনো কথা নেই, তাইনা?

দেখতে হবে আলাদা করে। নাইটল্যাম্প এর আলো বাদ দিয়ে একদিন রাতে মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখুন। হলুদ আলোয় হাতে হাত রাখুন।

ছেলেটা সবসময় ফর্মাল শার্ট গায়ে দেয়। আপনি নিজের পছন্দ মতো একটা টিশার্ট নিয়ে আসুন। ছুটির দিনে স্নান সেরে এলে সেটা পড়তে বলুন। সে নিশ্চয়ই পড়বে। তুই বা তুমি করে কথা বলতে ইচ্ছে না করলে আপনি করে বলুন। হ্যাঁ, চারপাশের মানুষ একটু অবাক হবেন। কিন্তু আপনি তো ভালো থাকবেন। তাছাড়া আপনি নিজেই নিজেকে খুশি রাখতে পারছেন, এইটাও ভাবতে হবে। রোদ উঠলে হাত ধরে রোদের দিকে চেয়ে থাকুন। ভোরে উঠে একটু হেঁটে যান। হাত ছাড়বেন না কিন্তু। 

দেখুন, আরো দেখুন। বদলে ফেলুন দেখার ভঙ্গি। চেয়ে থাকুন ততক্ষণ, যতক্ষন অবধি সে লজ্জায় মাথা নিচু না করে।

অনেকটা আগলে রাখতে গেলে দৃষ্টি তে বদল প্রয়োজন। মানুষ নয়, বদলাতে হবে চেয়ে থাকার ধরণ।

বুঝলেন তো??

লেখক : প্রণব মন্ডল, কবি এবং কলামিস্ট।

Tag
আরও খবর



একদিন মায়ের শাসন ও ফুরিয়ে যাবে

২৯ দিন ১৯ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে