‎রামপালে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হাফিজার সভাপতি, হাসান সম্পাদক ও মতি সাংগঠনিক সম্পাদক, আদমদীঘি প্রেসক্লাবের নয়া কমিটি গঠন গৃহবধু হত্যা মামলায় জয়পুরহাটে দু'জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড যশোরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি ও কৃষিতে অনিয়মের প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ মিরসরাইয়ে মাদকবিরোধী গণমিছিল ও সমাবেশ জোরারগঞ্জে অপূর্ব জুয়েলার্সের উদ্বোধন কর-জিডিপি অনুপাত ১৫ শতাংশে উন্নীত করতে এনবিআরের নতুন পরিকল্পনা দৈনিক খবর পত্রের বড়লেখা প্রতিনিধি খলিলুর রহমান এর পিতার ২২ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে রায়পুরে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের শ্রেষ্ঠত্ব বিশ্ববাজারে কমলো তেলের দাম জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষ, ৮০ হুথি যোদ্ধা নিহত চোর সন্দেহে মহেশখালীর ফয়সাল হত্যার ঘটনায় কঠোর তদন্ত ও আইনের শাসনের দাবি লোহাগাড়ায় ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার, মাইক্রোবাস জব্দ মধুপুরে ব্যক্তিক্রমী আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে প্রয়াসের স্পেশাল চাইল্ড ডে উদযাপন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিয়ে সেনবাগের ওসি প্রত্যাহার, তদন্ত শুরু নোয়াখালী লায়ন্স ক্লাব সিটির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী! শ্যামনগরে গ্রীণ ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক গঠন মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থার ৩০জন শিক্ষার্থীদের এটিএন বাংলায় মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা "মানবতার আহবান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩য় ধাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি"

আদমদীঘিতে নাগর নদীতে বাঁধ দিয়ে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকার

ছবি সংগৃহীত।

বগুড়ার আদমদীঘিতে নাগর নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে বাঁধ তৈরি করে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে অবাধে মাছ শিকারের অভিযোগ উঠেছে। এতে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। দ্রুত এ অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সরেজমিনে দেখা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কুন্দগ্রাম ও চাঁপাপুর ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগর নদীর কয়েকটি স্থানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ তৈরি করা হয়েছে। এসব বাঁধের কারণে নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে নষ্ট হচ্ছে মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতে বাঁশের বেড়া বা বানা দিয়ে পানিপ্রবাহ আটকে চায়না দুয়ারি জাল, সুতিজাল, কারেন্ট জালসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে প্রতিদিন মাছ শিকার করা হচ্ছে। এসব জালে রেনু পোনা থেকে শুরু করে ছোট-বড় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আটকা পড়ছে। ফলে একদিকে যেমন প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদ ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর জলজ জীববৈচিত্র্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, কিছু অসাধু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছেন। এতে মাছের স্বাভাবিক চলাচল ও প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে রেনু পোনা নিধনের কারণে ভবিষ্যতে নদীতে দেশীয় মাছের সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। মাছ শিকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা নাহিদ হোসেন বলেন, নদীর মুক্ত পানিপ্রবাহ বন্ধ করা এবং নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করা বেআইনি। মাছ শিকারীদের মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। এরপরও তারা বাঁধ ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণ না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সতর্ক করলেই হবে না; নদীর স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত বাঁধ অপসারণ এবং নিষিদ্ধ জাল জব্দ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

Tag
আরও খবর