নানা মানুষের নানা রকম ভালবাসা দেখা যায় বিভিন্ন সময়। কারো টাকা-পয়সার প্রতি ভালোবাসা। কারো বা বাড়ি-গাড়ির প্রতি। আবার কারো বা ভ্রমণের। গতানুগতিক সেই সকল ভালবাসার বাইরেও কারো অন্য রকম শখ বা ভালবাসা দেখা যায়। বিশেষ করে বিভিন্ন দিবস বা উৎসবে প্রকাশ পায় সে সকল না বলা অনেক মানুষের ভালবাসা। সেই ভালবাসা কেউ পূরণ করে কেউ বা করে না। তেমনই একজনের ভালবাসা প্রকাশ পেয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। কোন প্রকার রংতুলি বা কাগজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না। নিজের মাথার চুল কেটে প্রিয় প্রার্থীর কাঁচি প্রতীক এঁকেছেন।
এমনই ঘটনা ঘটেছে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাঁচি প্রতীক নিয়ে অংশ নিয়েছেন তিন বারের সফল সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। প্রার্থীর প্রতি ভালবাসা থেকে নিজের মাথার চুল কেটে কাঁচি প্রতীক তৈরি করেছেন এক যুবক। এতক্ষণ বলছিলাম আল-আমিনের কথা। আল-আমিন উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়নের কাঁঠালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। সকল প্রতিকূলতা ভেদ করে নিজের মন থেকে মাথায় কাঁচি প্রতীক সদৃশ্য কাটিং চুল কেটেছেন। এটা নিয়ে লোকজন অনেক কথা বললেও কারো কথাতে আল-আমিন একচুলও ভেঙ্গে পড়েননি।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের নজরে আসে আল-আমিনের মাথার চুল কেটে তৈরি করা কাঁচি প্রতীকের সেই চিত্র। নিজের মাথায় চুল কেটে কেন প্রতীক তৈরি করা হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে আল-আমিন বলেন, আমার কাছে প্রতীক না, ব্যক্তি প্রধান। ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি আমার কাছে প্রিয়। তিনি বাগমারায় অনেক দিন থেকে এমপি আছেন। বাগমারার উন্নয়ন এনামুল হকের হাত ধরেই হয়েছে। এখন আমরা অনেক ভালো আছি। তাই তিনি শুধু আমার না সবার কাছে প্রিয় মানুষ। সেই জায়গা থেকে আমি মাথার চুল কেটে প্রিয় মানুষের প্রতীক কাঁচি তৈরি করেছি। আমি চাই ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপিকে সবাই ভোট দিয়ে আবার বিজয়ী করুক। তাহলে সবাই ভাল থাকতে পারবো।
এ ব্যাপারে কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি জনগণের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি। আমার প্রতি সাধারণ মানুষের যে ভালবাসা সেটা নির্বাচনে না আসলে বুঝতে পারতাম না। বাগমারার আপামর জনগণের নিকট আমি কৃতজ্ঞ। তারা যে ভালবাসা দেখিয়েছেন সেটা ভুলার না। বাগমারার সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি অশান্ত আর রক্তাক্ত বাগমারাকে শান্তির জনপদে পরিণত করেছি। নৌকা না পেলেও জনগণের ভালবাসা নিয়ে ভোটের মাঠে কাঁচি প্রতীকের প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছি। ৭ জানুয়ারী ভোটের মাধ্যমে রায় দেবে ভোটাররা। তারা শান্তির পক্ষে না সন্ত্রাসের পক্ষে। আমি আশা করছি বাগমারাবাসী বিপুল ভোটে কাঁচি প্রতীককে বিজয়ী করবে।
৪১১ দিন ৩৪ মিনিট আগে
৪১১ দিন ১৯ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৪১৫ দিন ৯ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৪১৫ দিন ২৩ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৪১৬ দিন ১০ মিনিট আগে
৪১৬ দিন ২০ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে