বরিশালের বানারীপাড়ার জম্বুদ্বীপ গ্রামের ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত রাকিব বেপারির (২০) লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পারিবারিক কবরস্থান থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
২৮ নভেম্বর দুপুর দুপুর ২.০০ ঘটিকায় বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত ঢাকার তদন্ত টিম ও বানারীপাড়া থানার এস আই মোঃ নুরুল ইসলাম ও শফিকুল ইসলাম উপস্থিতিতে লাশটি উত্তোলন করেন। সদ্যবিবাহিত গার্মেন্টস শ্রমিক শহীদ রাকিব বেপারী ২১ জুলাই ঢাকার চিটাগাং রোডের সাইনবোর্ড এলাকায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে গুলিবিদ্ধ হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। অভিযোগ উঠেছে নিহত রাকিব বেপারীর লাশ বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের চাপে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ময়নাতদন্তে অস্বীকৃতি জানালে ময়নাতদন্ত ছাড়াই গ্রামের বাড়িতে এনে দাফন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বায়েজিদুর রহমান রাকিব বেপারির লাশ উত্তোলনের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাকিব বেপারী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্যই লাশটি উত্তোলন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পুনরায় দাফন করা হবে। নিহত রাকিব বেপারী পারিবারিক অভাব অনটনে থাকার কারণে নবম শ্রেণী পাস করার পরেই নারায়ণগঞ্জের বিসিক এলাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরি নিয়েছিল। রাকিব বেপারী বানারীপাড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের জম্বুদীপ গ্রামের মোশাররফ বেপারী ও রাশিদা বেগমের পুত্র এবং তিনি গত এপ্রিলে পারিবারিকভাবে বিবাহ করেছিলেন।