ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় অযৌক্তিক রাস্তার দাবী করে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। বেশ কয়েকদিন ধরে এমন ঘটনাটি ঘটে উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মালিগ্রাম বাজার সংলগ্ন এলাকায়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ জানান।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের একজন তাজ্জুক চোকদার বলেন, আমরা ২২ জন শরিকদার ১৬২ শতাংশ মাঠের জমি হাসেম খন্দকারের নিকট থেকে ২০১৬ সালের সাব-কবলা মূলে ক্রয় করেছি। এরপরে ২০১৭ সালে জমিতে যাতায়াতের জন্য অন্যের জমি ক্রয় করে রাস্তা তৈরি করেছি। ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয় চারপাশে সীমানা দেওয়াল নির্মাণ করেছি। অভিযোগকারী সূর্য মিয়া তিনি হাসেম খন্দকারের বাড়িতে কেয়ারটেকার ছিলেন। তিনিও ২০১৮ সালে আমাদের জমি থেকে প্রায় ৪'শ গজ পূর্ব দিকে ৫৪ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন। আমাদের সঙ্গে কোনরকম যোগসাজোস নাই। তিনি কি করে আমাদের প্রাচীর ভেঙ্গে রাস্তা চান? এটা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না। একমাত্র আমাদের মান সম্মান ক্ষুন্ন করতেই কুচক্রী মহলের ইন্দনে আমাদের নামে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে আরেক মালিক হান্নান মাতুব্বর জানান, সূর্য মিয়ার জামাই খোকন মিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, আমরা কাগজপত্র দেখানোর পরে অভিযোগকারী সূর্য মিয়াকে অহেতুক হয়রানি না করতে বলে দিয়েছেন।
এদিকে ওই এলাকার এক প্রতিবেশী মতিউর রহমান জানান, হানিফা হাজী, হান্নান মাতুব্বার ও তাজুক চোকদার মিলে ৬/৭ বছর আগে মাঠের মধ্যে নাল জমি ক্রয় করে বালি ভরাট করে সীমানা বাউন্ডারি দিয়েছেন। তাহারা ব্যক্তিগতভাবে রাস্তার জন্য জমি ক্রয় করে যাতায়াত করেন। একমাত্র একটি পরিবার সূর্য মিয়া আমার চাচা হাসেম খন্দকারের নিকট থেকে জমি ক্রয় করে বাড়ী করেছেন। তিনি সব সময় ওই পাশ দিয়ে(পূর্ব পাশ দিয়ে)যাতায়াত করেন। তার অহেতুক দাবি এটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপর দিয়ে রাস্তা চাওয়াটা অযৌক্তিক।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই ফারুক হোসেন জানান, এমন একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি, সে বিষয়ে রাস্তার জন্য অভিযোগকারীকে অন্যত্র দিয়ে রাস্তা করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
হানিফা গংদের জমি সম্পূর্ণ আলাদা ও সেপারেশন করা।
এদিকে এ বিষয়ে অভিযোগকারী সূর্য মিয়ার বক্তব্যের জন্য চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
২ দিন ১৭ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৬২ দিন ৯ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১৪০ দিন ২২ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৪৭ দিন ১১ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
১৬৪ দিন ৯ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
১৬৪ দিন ৯ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
১৬৭ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
২০৭ দিন ১ ঘন্টা ২ মিনিট আগে