ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিশাল জনসভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে পদ্মা সেতুর ব্যক্তি প্রস্তর স্থাপন করি। খালেদা জিয়া এসে বলে মাওয়া দিয়ে হবেনা, এটা বন্ধ করে দেন। আসলে ওদের ধ্বংস করাই চরিত্র। আবার দ্বিতীয়বার যখন পদ্মা সেতু করতে গেলাম আমাদের দেশের এক স্বনামধন্য ব্যক্তি সামান্য একটা এমডির পদ ৬০ বছর পর্যন্ত থাকতে পারেন ৭০ বছর হয়ে গেছে মামলা করে সরকারের বিরুদ্ধে হেরে গেল। সেই ফলে সে ওয়ার্ল্ড ব্যাংকে সেই হেলারি ক্লিনটনকে বলে বন্ধ করে দিয়ে দুরনাম দিতে চেয়েছিল আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম আমি বললাম উন্নয়ন করতে এসেছি শেখ মুজিবের মেয়ে দুর্নীতি করে না। তখন আমি আরো চ্যালেঞ্জ দেই পদ্মা নদীতে যেখানে প্রচন্ড খরস্রোত নদীতে সেতু বানানো বাংলাদেশের টাকায় সম্ভব না আমি একটি কথা বলেছিলাম আমি একটি গল্প বলি স্বাধীনতার পর জাতির পিতা যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসে অনেক বিদেশি সাংবাদিক তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এরকম একটি বিধ্বস্ত দেশ, কোন সম্পদ নাই, আপনি কিভাবে এ দেশ গড়বেন? আপনারা জানেন জাতির পিতা কি বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, আমার মাটি আছে,আমার আমার মানুষ আছে,সেই মানুষ দিয়ে আমি দেশ গড়ব। আমি সেই কথা মাথায় রেখে জাতির পিতার আদর্শ বুকে নিয়ে আমি জানি অনেক জ্ঞানী গুণী আমার সাথে নাই।বাংলাদেশের মানুষ আছে জনগণ আছে আমার সঙ্গে। জনগণ সাথে থাকলে অসম্ভবকে সাধন করা যায় সেটাই আমরা করেছি। সেই পদ্মা সেতু স্থাপন করেছি। পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে রেল লাইন চালু করেছি। জাতির পিতা বলেছেন বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবা না। বাংলাদেশের মানুষকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিল, আমার ভরসা বাংলাদেশের মানুষ। বাংলাদেশে ৫৬০ টি মডেল মসজিদ করে দিয়েছি বাংলার মানুষ যেন ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান মুসলমান একসঙ্গে চলতে পারে এটাই আমাদের মুসলমান ধর্মের শেখায়।
প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-ভাঙ্গা রেল চলাচলের উদ্বোধন শেষে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ডাঃ কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ মোঃ ইশতিয়াক আরিফের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মানুষ স্বাধীনতা এনেছে। আবার এই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে এই ফরিদপুর সহ সারা বাংলাদেশে উন্নয়ন হয়েছে নৌকা মার্কা মানে উন্নয়ন। আমি জানি ফরিদপুরে কোন বিশ্ববিদ্যালয় নাই।ফরিদপুরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছিল আড়াইশো বেডের। ক্ষমতায় আসার পর ৫০০ কোটি উন্নিত করেছি। ফরিদপুর একটি পুরাতন শহর সব সময় অবহেলিত।ফরিদপুরের মানুষের অনেকদিনের আশা একটি বিশ্ববিদ্যালয় ইনশাআল্লাহ আমি আগামীতে সরকারে আসতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিব পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় আমরা কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি। ছেলে মেয়েরা কারিগরি শিক্ষায় কর্মসংস্থান যেন পায় আমরা করে দিচ্ছি। মেয়েদেরকে পড়াশোনায় অবৈতনিক করে দিয়েছি। প্রাথমিক শিক্ষক আমরা মেয়েদেরকে ৬০% করে দিয়েছি। মেয়েদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। বিগত নির্বাচনের আগে ওয়াদা করেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিব। ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে তুলেছি। সকলে অনলাইন ব্যবহার করে। এখন সকল মা বোনদের হাতে স্মার্ট মোবাইল। সময় সকলের হাতে স্মার্ট মোবাইল দেখতে চান প্রধানমন্ত্রী তখন সকল নারী পুরুষ তাদের স্মার্ট মোবাইল হাত উঠিয়ে দেখান। আজকের বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে ২:৪০ এসে পৌঁছান ১৬ মিনিট বক্তব্য দেওয়ার পর তিনি টুংগী পাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন।
২ দিন ১৭ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৬২ দিন ৯ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১৪০ দিন ২২ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১৪৭ দিন ১১ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১৬৪ দিন ৯ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
১৬৪ দিন ৯ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১৬৭ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
২০৭ দিন ৫৭ মিনিট আগে