বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদে গান গাইলেন সংগীতশিল্পী ও মানিকগঞ্জ-২ আসনের আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম।সোমবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনাকালে তিনি নিজের দুটি গানের কিছু অংশ গেয়ে শোনান।
একটি গান বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে। অন্যটি বর্তমান সরকারের উন্নয়ন নিয়ে। এ ছাড়া সরকারদলীয় এই এমপি বিদ্যুৎ নিয়ে সংসদে ২০১৭ সালে দেওয়া একটি বক্তব্য নিয়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলড হওয়ার প্রতিক্রিয়ায়ও জানান।
মমতাজ বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গানটি পরিবেশন করেন। গানটির কথা এমন— ‘লোকে বলে বাংলায় যতদিন রবে, ওই পদ্মা মেঘনা বহমান/ততদিন রবে কীর্তি তোমার তুমি শেখ মুজিবুর রহমান/ আমি বলি না না লোকে তো জানে না, ওই কীর্তি রবে তোমার কতদিন/ হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ নও তুমি শ্রেষ্ঠ রবে ওই ততদিন ওই চন্দ্র রবে যতদিন, ওই সূর্য রবে যতদিন’
এর পর তিনি বলেন, যতদিন বাংলাভাষাভাষী মানুষ পৃথিবীতে থাকবে, ততদিন তুমি রবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যতদিন আকাশে চন্দ্র উঠবে, সূর্য উঠবে, ততদিন তোমার কীর্তি রবে তুমি শেখ মুজিবুর রহমান। ওই পদ্মার বুক হতে পারে চর পড়ে মরুভূমি, কিন্তু তুমি যে বঙ্গবন্ধু তোমার এই কার্য তোমার এই দেশ কোনো দিনই মরুভূমি হবে না।
বক্তব্যের শেষে তিনি সরকারের উন্নয়ন নিয়ে গান গেয়ে শোনান। সেই গানের কথাগুলো হচ্ছে— ‘ওরে রাখবো করে এই উন্নয়ন/আমরা দেশের জনতা/শেখ হাসিনার হাতে আবার দিয়ে ক্ষমতা/ পদ্মা সেতু পদ্মা নদীতে/ এগিয়ে চলছে দেশ দ্রুত গতিতে/ করলো আবার সমুদ্র জয়/ সমুদ্রসম্পদ আহরণে নাই আর কোনো ভয়/ এই যে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, স্বামী পরিত্যক্তভাতা, মাতৃকালীনভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, মুক্তিযুদ্ধভাতা- আজকে উপকার পাইতেছে কত মাতাপিতা’।
এর পর তিনি ‘ফেরি করে বিদ্যুৎ বিক্রি’র বিষয়ে ২০১৭ সালে সংসদে দেওয়া একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন।
মমতাজ বলেন, যারা সরকারের ভালোকে দেখতে পারে না, তারা নানাবিধ কুকথা এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন রকম অপপ্রচার দিন-রাত চালাচ্ছে।
বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এই সংসদ সদস্য বলেন, যারা দেশটাকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছেন, তাদের মুখে বড় বড় কথা শুনতে হয়। আমাদের সত্য কথাকে তারা মিথ্যা বানিয়ে ট্রল করার চেষ্টা করছে। এটা বড়ই দুঃখজনক। বড়ই হতভাগা আমরা।
৩২৪ দিন ১১ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৩৮১ দিন ১ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৩৮৪ দিন ৮ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
৩৮৬ দিন ১ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৩৯০ দিন ৯ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৩৯০ দিন ৯ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
৪০০ দিন ১০ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৪০৩ দিন ৪ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে