সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় অস্বচ্ছল মুক্তিযুদ্ধাদের বীর নিবাস নির্মানে অনিয়ম- দূর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারীতার অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রধান মন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি প্রধান করেছেন ধর্মপাশা উপজেলার মুক্তি যুদ্ধারা ও মুক্তি যোদ্ধা সন্তান কমিটি । এব্যাপারে অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।
এ ব্যাপারে সুবিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছে মুক্তিযুদ্ধারা। বুধবার ১১ টায় ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের
সামনের রাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, অস্বচ্ছল মুক্তিযুদ্ধাদের জন্য আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায় নয় জন মুক্তিযুদ্ধার জন্য নয়টি বীর নিবাস নির্মানের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। ২২ নভেম্বর ২০২১ ইং তারিখে দরপত্রের মাধ্যমে নয়টি বীর নিবাস নির্মানের কাজ পায় মেসার্স জব্বার বিল্ডার্স নামীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ইং তারিখে কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা। কিন্তু কার্যাদেশ পাওয়ার দীর্ঘ দিন অতিবাহিত করে বীর নিবাসের কাজ শুরু করে ঠিকাদার। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অদ্যাবধি পর্যন্ত বীর নিবাসের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়নি। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছে মতো অর্ধেক কাজ করে ফেলে রাখা হয়ছে। যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সাংসদের ছোট ভাই বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন বীর নিবাসের নির্মাণ কাজ সাব ঠিকাদার হিসেবে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঠিকাদার। নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান মন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দায়ের করা হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদির, জহুর আলী, ধর্মপাশা উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা সন্তান সংসদের উপদেষ্টা ও ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামিম আহমেদ মুরাদ, ধর্মপাশা উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা সন্তান সংসদে সভাপতি শরফরাজ আহম্মেদ খান পাঠান, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ তালুকদার প্রমুখ।
শামিম আহমেদ মুরাদ বলেন, স্থানীয় সংসদের আপন ছোট ভাই আওয়ামী লীগের বিদ্রহী ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকন টিকাদারের কাছে থেকে কাজ নিয়ে নিজের নিয়োজিত লোকদিয়ে কাজ সঠিক ভাবে না করে অনিয়ম ও দুনিতীর মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ না করলে কঠিন আন্দোলনে যাবেন।
ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকনের সাথে যোগাযোগ করাহলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।
ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, মুক্তি যোদ্ধাদের স্মারকলিপি পেয়েছি, আমি সেইটি আমার উর্দতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠাবো।
১৯ দিন ৬ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৪৬ দিন ৫ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৪৯ দিন ৩ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৮৩ দিন ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১৮৪ দিন ২১ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
২১৫ দিন ১৩ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
২২৪ দিন ১৪ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
২৩৫ দিন ১৩ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে