ঈদকে সামনে রেখে ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা চালাচ্ছে সঙ্গবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্যরা। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা ডাকাতদলের সদস্যরা ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠায় নতুন ভাবে আতঙ্ক, উদ্বেগ- উৎকন্ঠা চলাচল করছে। চরম আতঙ্কে রয়েছে যানবাহন চালক ও যাত্রীরা।
গতকাল শনিবার (৩০ মার্চ) রাতে সড়কের হিমছড়ি ঢালা নামক স্থানে যাত্রীবাহী অটোরিকশা থামিয়ে মারধর পূর্বক ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঈদগাঁও থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে ডাকাতদলের সদস্যরা দ্রুত পাহাড়ে ঢুকে পড়ায় আটক হয়নি কেউই।
জানা যায়, ঘটনার সময় ঈদগড়ের দুই ব্যক্তি অটোরিকশা যোগে ঈদগাঁও থেকে বাড়ি ফিরছিল, পথিমধ্যে হিমছড়ি ঢালা নামক স্থানে পৌঁছালে ১০/১২ জনের সশস্ত্র ডাকাত দলের সদস্যরা অটোরিকশা থামিয়ে যাত্রী, চালকদের মারধর করে নগদ টাকা, মোবাইল সেট লুট করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ডাকাতদলের সদস্যরা পাহাড়ে ঢুকে পড়ে।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, ডাকাতির খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।ঈদকে সামনে রেখে কোনো ডাকাতদল যেন জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করতে না পারে সেই লক্ষ্যে সড়কের স্পর্শকাতর স্থানে পুলিশের অতিরিক্ত ফোর্স টহলে থাকবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাহাড়ের ডাকাত সর্দার আবু ছালেক প্রকাশ ছালিক্কাকে আটক করার পর ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কে ডাকাতি, অপহরণ, ছিনতাই কমে আসছিল। কয়েকমাস পর ডাকাত দলের আরেকটি গ্রুপ সক্রিয় হয়ে উঠে একাধিক বার অপহরণ পূর্বক মুক্তিপণ আদায় করেছে।
সর্বশেষ ঈদগড় ইউনিয়নের মেম্বার রুস্তম আলীকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় এলাকাবাসীরা জড়ো হয়ে গত বছরের ২৭ নভেম্বর রাতে ডাকাতদলের আস্তানায় উপর্যপুরী গুলি বর্ষণ করে। পরদিন ২৮ নভেম্বর সাহাব উদ্দিন নামের এক ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ওইদিন আরও ৩-৪ জন ডাকাত গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। ওই ঘটনার পরপর মাস কয়েক ডাকাতি, অপহরণ বন্ধ থাকলেও তৃতীয় পক্ষ হয়ে আরো একটি ডাকাত দল ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, ডাকাত সর্দার ছালেক প্রকাশ ছালিক্কা কারাগারে বন্দী, অপর গ্রুপের এক সদস্যের মৃত্যুর পর ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে তাদের গ্রুপটি। স্থানীয়রা বলছে, এখন তৃতীয় পক্ষ হয়ে রশিদনগর ইউনিয়নের কাহাতিয়া পাড়ার একটি ডাকাত দল ফের মাথাচাড়া দিয়ে ঈদগাঁও ঈদগড় সড়কে ডাকাতি, অপহরণের মতো ঘটনা ঘটিয়ে মুক্তিপণ বাণিজ্যের পরিকল্পনা নিয়ে পাহাড়ে অবস্থান করছে।
চিরুনি অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা না গেলে পুনরায় ডাকাতি -অপহরণ পূর্বক মুক্তিপণ বাণিজ্যের মতো ঘটনা ঘটবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন ঈদগাঁও এবং ঈদগড় বাইশারীর বাসিন্দারা।
১৬১ দিন ১৭ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
১৬২ দিন ২১ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
১৮২ দিন ১৪ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১৮৫ দিন ২২ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
২০৫ দিন ১৮ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
২১০ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
২১৩ দিন ১৪ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
২১৪ দিন ১৮ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে