ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে'

গলাচিপায় মোখা ছাড়লেও ‘মারল’ কালবৈশাখী


গলাচিপায় সোমবার (১৫ মে) রাত ১০টায় কালবৈশাখী ঝড়ে ৫০টি বসতঘর, একটি হাফিজিয়া মাদরাসা ও মসিজদের চাল উড়ে গেছে। ঝড়ে উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছ। ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্র পরিবারগুলো এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এলাকাবাসী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।


গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১০টার দিকে গলাচিপার পানপট্টি, সদর ইউনিয়ন ও আমখোলার বাদুড়া গ্রামে কালবৈশাখী তাণ্ডব চালায়। এতে কমপক্ষে ৫০টি বসতঘরের চালা উড়ে গেছে। আবার কারো ঘরের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে শত শত গাছপালা উপড়ে গেছে। গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।


উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের বিবির হাওলা গ্রামের জেলে মো. ফারুক মিয়া বলেন, ‘রাইতে মাছ ধইররা বাড়ি আসি। আইসসাই আকাশের অবস্থা খারাপ দেইখ্যা গরু বানতে (বাঁধতে) যাই। এসম হঠাৎ করে ঝড়ে আমার ঘরের উপর একটা বড় গাছ ভেঙ্গে পড়ে। ঘরটি মাটির সাথে মিশে দেয়। আমার স্ত্রী-সন্তানদের চিৎকারে দৌড়ে যাই। ওদের নিয়ে আমি পাশের বিলে চলে যাই।’ 


একই ইউনিয়নের গুপ্তের হাওলা গ্রামের মো. রফিক হাওলাদার বলেন, ‘আকাশের অবস্থা খারাপ দেইখ্যা আমার গরুর কাছে যাই। এর মধ্যেই আমার বাচ্চারা চিৎকার করে ঘর ছেড়ে দৌড়ে বাইরে চলে যায়। কিছু বুঝে উঠার আগেই দেহি আমার ঘরের চালের উপর বড় একটি চাম্বল গাছ চাপা দিছে। আল্লাহ এখন প্রাণ বাঁচাইছে। ঘর তছনছ করে দিছে। 


এ প্রসঙ্গে পানপট্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুদ রানা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বেশির ভাগই জেলে। এরা দিন আনে দিন খায়। এদের একেক পরিবারের দুই-তিনবার নদীভাঙনে বাড়িঘর বিলীন হয়েছে। জীবনের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই করেছিল তারা। আজ সব শেষ হয়ে গেল। কোনো সহায়তা না পেলে এদের জন্য দুর্বিষহ অবস্থার সৃষ্টি হবে।


এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, আমরা ঘূর্ণিঝড় মোখার কবল থেকে বেঁচে গেছি। কিন্তু তার একদিন পরই কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে অনেক ঘর-বাড়ি ও গাছপালার ক্ষতি হয়েছে। যারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরকে আমরা স্থানীয়ভাবে সহায়তা করার চেষ্টা করছি। আর যারা কম ক্ষতিগ্রস্ত তাদেরকে আবেদন করার অনুরোধ করছি।


আরও খবর



পটুয়াখালীর গলাচিপায় অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার

৫৯ দিন ৮ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে