দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলায় চাঞ্চল্যকর চুমকী হত্যাকান্ডে জড়িত জয়পুরহাট পাঁচবিবি থানার ৮নং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান স্বামীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঘোড়াঘাট পুলিশ।
৩আগষ্ট বৃহসপতিবার বিকালে দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ পিপিএম।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদদের সাথে প্রেসব্রিফিংকালে বলেন ২৮জুলাই সকালে ঘোড়াঘাট থানার ১নং বুলাকিপুর ইউপির অর্ন্তগত বুলাকিপুর সিংগানালা গ্রামে মোজাম্মেল নামক এক ব্যক্তির আমবাগানের পাশে একজন অজ্ঞাত মহিলার লাস পেয়ে ঘোড়াঘাট পুলিশ এবং পিবিআই তদন্ত শুরু করে।তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মৃত মহিলার পরিচয় সনাক্ত করে হত্যার সাথে জড়িত তিন আসামী জয়পুর হাট পাঁচবাড়ী থানার ৮নং আওলাই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত ইউনুছ আলী মন্ডলের ছেলে মোঃ আব্দুর রাজ্জাক(৫০),ঘোড়াঘাট কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ ইয়াকুব আলীর ছেলে মাইক্রো ড্রাইভার মোঃ এমদাদুল হক (৪৫),এবং জয়পুরহাট পাঁচবিবি থানার বয়রা ছাতিনালী গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ এমদাদুল হক( ৪৮)কে আটক করে।এবং হত্যায় ব্যবহৃত নোহা ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাস রেজি নং ঢাকা মেট্রো চ -১১-৯৭৯৬।ভিকটিমের একটি মোবাইল ফোন,মামলার ঘটনায় রশি।
ঘটনার তথ্য সুত্রে জানা যায় মোঃ এজাজুল হক ওরফে সানির স্ত্রী মৃত ফারহানা আক্তার চুমকীর সাথে জয়পুরহাট পাঁচবিবি থানার ৮নং আওলাই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের পরকীয়ার সম্পর্কের জের ধরে চেয়ারম্যানের পরিবারে অশান্তির সৃষ্টি হয়।একইভাবে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে চুমকীরও মনোমানিল্যের সৃষ্টি হয়।এক পর্যায়ে আসামী আব্দুর রাজ্জাক পরকীয়ার জরিয়ে বিবাহে আবদ্ধ চুমকীর চাপে দুই পরিবারের মধ্যে অশান্তির সৃষ্টি হওয়ায় এবং চুমকির চাপ সহ্য করতে না পারায় সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক তার বিশ্বস্থ সহযোগী এমদাদুল হককে সংগে নিয়ে তার মাইক্রোড্রাইভার এমদাদুল হকের সহোযোগিতায় বিয়ে করার কথা বলে মাইক্রো করে চুমকীকে মাইক্রোবাসে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নির্জনে মোজাম পার্কের আমবাগানের কোনায় ফেলে রাখে।
পুলিশ সুপার শাহ্ ইফতেখার আহমেদ পিপিএম এর দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লা আল মাসুম ক্রাইম এর পরিকল্পনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার হাকিমপুর সার্কেল মোঃশরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্য মোঃ আসাদুজ্জামানের মাধ্যমে অভিযান শুরু করে ক্লুলেস হত্যাকান্ডের মুল আসামী আব্দুর রাজ্জাকসহ তার সহোযোগী দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।