সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় ফুটপাত নেই, যতটুকু আছে প্রায় সবটাই হকারদের দখলে। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক জগন্নাথপুর- সুনামগঞ্জ সড়ক দখল করে আছে অটোরিকশা ও সিএনজি। রাস্তা প্রসস্থ করে যানজট নিরসনে কোন কাজ হয়নি। যানজট নিরসনে বড় বাধা হয়ে দাড়িয়েছে অবৈধভাবে ফুটপাত দখল এবং অটোরিকশা ও সিএনজি স্ট্যান্ডগুলি। এমন চিত্র দেখা গেছে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পৌর এলাকায়।
একদিকে পৌরশহরের ফুটপাত গুলোতে প্রতিদিন বসে ভ্রাম্যমান দোকান। অন্যদিকে উপজেলার পৌর পয়েন্ট, চিলাউড়া পয়েন্ট, জগন্নাথপুর-কলকলিয়া তেলিকোনা লেগুনা স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে সড়ক দখল করে গড়ে উঠেছে অটোরিকশা ও সিএনজি স্ট্যান্ড এতে স্থায়ী রূপ লাভ করেছে যানজট। ফলে পথচারীদের অনেকক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে হাটতে হয় মুল সড়ক দিয়ে।
সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার পৌরপয়েন্ট বাজার রোড এবং জগন্নাথপুর-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক চিলাউড়া পয়েন্ট মোড় পর্যন্ত সড়কের ফুটপাত ভাসমান দোকানপাঠ গড়ে উঠেছে। বেশীরভাগ দোকানে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমি ফল তরমুজ আনারস সহ বিভিন্ন ফলমুল। কিছুদিন পরেই পাওয়া যাবে আম কাঁঠাল। আরও থাকছে মনোহরী ফুচকা-চটপটি, হালিম, চানাচুর তৈজসপত্র শাকসব্জী জুতা কাপড়সহ বিভিন্ন পন্যের দোকান।
এছাড়াও রাস্তা দখল করে গড়ে উঠেছে অটো-সিএনজি স্ট্যান্ড। রাস্তার দুপাশ দখল করে দাড়িয়ে আছে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ও সিএনজি। এতে করে সড়কে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলাবাসী। হকাররা জানান, ফুটপাত ছাড়া তাদের বসার জন্য স্থায়ী কোন জায়গা নাই। নিরূপায় হয়েই তারা বিভিন্ন মার্কেট মালিকদের ম্যানেজ করে ফুটপাতে বসেন। সংসার চালাতে বিকল্প কোন উপায়ও তাদের নেই।
অটোরিকশা ও সিএনজি চালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অটো-সিএনজি স্ট্যান্ডে ভর্তি হতে টাকা লাগে। ভর্তি না হলে রাস্তায় চলবেনা গাড়ি।প্রতিদিন গাড়ির চাকা ঘোরাতে দিতে হয় চাদা। প্রাইভেট পড়ে বাসায় যাচ্ছিলেন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান, এসকল বিষয়ে কথা হলে তিনি বিরক্তিকর কন্ঠে বলেন, এ রাস্তার ফুটপাত দিয়ে যখন হাটি, মনে হয় ব্যস্ত কোনো সড়ক দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সমস্যা দেখার কি কেউ নেই ? সড়কে সব সময় ভিড় জমে থাকে। পথচারী রাকিবুল হাসান বলেন, সড়কে ভাসমান দোকান থাকার কারনে ঠিকমতো হাটা যায় না। রাস্তার দু-পাশে অটোরিকশা সিএনজি। দিনের বেশির ভাগ সময়ই সড়কে জ্যাম থাকে। তরিকুল ইসলাম বলেন, চোখের সামনে এসব অনিয়ম হচ্ছে।প্রশাসন দেখেনা কেন।
৫১ দিন ১৫ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
৫৮ দিন ২২ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৭৩ দিন ১৪ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৮৩ দিন ১০ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৮৩ দিন ১০ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
১০৩ দিন ১৬ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১১৫ দিন ১৭ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
১১৫ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে