সোহেল পারভেজ, কেশবপুর প্রতিনিধি
খেলা আর গানের ছলে শিখে, জ্ঞানের আলোয় জীবন রাঙ্গানো শপথের সাথে শিক্ষার্থীদের সুস্থ দেহ ও মন অন্বেষণ প্রয়োজন শ্লোগানকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুর উপজেলার নারায়নপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আড়ম্বরের সহিত উদযাপিত হলো বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
গত ১৫ ও ১৬ মার্চ দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরুতে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি শেখ রেজাউল করিম এর সভাপতিত্বে ও মহির উদ্দিন (মাহি), তুরতাজ সিদ্দিকী(নুহা) উপস্থাপনায় বৃহস্পতিবার সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, সুফলাকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম মুনজুর রহমান। বিশেষ অতিথি বক্তৃতা করেন, প্রাক্তন সভাপতি জহুরুল ইসলাম মোড়ল। এসময় শিক্ষার্থীরা অতিথিবৃন্দদের ফুলেল শুভেচছা জানিয়ে ফুলে ফুলে শিক্ত করেন। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খেলাঘর আসর জাতীয় পরিষদের সদস্য ও খেলাঘর আসর কেশবপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল মজিদ বড়ভাই, দপ্তর সম্পাদক সোহেল পারভেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মণ্ডলী ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ। সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক মোঃ হেলাল হাসান শহীদ, শিক্ষক শ্যামল সরকার, শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানটি অন্যান্য বারের থেকে ব্যাতিক্রমী ভাবে মঞ্চস্থ করা হয়। অন্যদিকে মাঠের চারপাশে শিক্ষার্থীদের স্টাইল গুলিকে বিভিন্ন সাজে সজ্জিত করা হয়। বইয়ের স্টল, বিজ্ঞান মেলা, প্রযুক্তি মেলা, ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের স্টল এবং আলোকসজ্জিত পানির ঝরনা দেখা যায়। যেটি আগত দর্শনার্থী ও শ্রোতাদের আকৃষ্ট করেছে। মঞ্চে ছিল কবিত আবৃত্তি, গান, নাটিকা ও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয়। দীর্ঘ রাত হলেও দর্শক শ্রোতাদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত।
চুয়াডাঙ্গা গ্রামের জাহিদ হাসান বলেন, এবছর অনেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছি কিন্তু এখানে এসে সত্যি অভিভূত হয়েছি। অনুষ্ঠান আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি সহ আমার অনেক বন্ধুরা আমার সঙ্গে এসেছে সবাই একসঙ্গে আনন্দ উপভোগ করলাম। সবকিছু ছিল শিক্ষনীয় ও অজানাকে জানার। দন্যবাদ আয়োজকদের।
প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বলেন, দীর্ঘ একমাস আমার ছাত্র-ছাত্রীদের পিছনে অনেক কষ্ট করে এমন একটা অনুষ্ঠান সবাইকে উপহার দিতে পেরেছি। তবে সবসময় অভিভাবকদের সহোযোগিতা পেয়েছি বলেই সম্ভব হয়েছে। সামনে আরও বড় করে অনুষ্ঠান করবো।
৬৭১ দিন ১ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৬৯০ দিন ২০ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৬৯০ দিন ২১ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৭২৬ দিন ৫ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৭২৭ দিন ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৭৩০ দিন ৩ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৭৩০ দিন ৯ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৭৩২ দিন ২ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে