ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে'

কিশোরগঞ্জে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কদম ফুল


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহলার আনাচে কানাচে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কদম ফুল। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এই কদম ফুলের মুগ্ধতায় পরিপূর্ণ যেন গ্রাম- গঞ্জ। ষড়ঋতুর বর্ষা এক অনন্য ঋতু। এই ঋতুটি আসার আগেই কদম ফুল যেন জানিয়ে দেয় আগমণী বার্তা।


প্রকৃতিতে এখন চলছে বর্ষাকাল। কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পথে- প্রান্তরে কদম গাছগুলো ভরে উঠেছে ফুল ফলে। সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে কিংবা বাড়ির উঠানে অসংখ্য কদম গাছ।সেই কদম গাছের ডালে ডালে ফুল ফলে ভরপুর। এ যেন আবহমান বাংলার বর্ষা বরণের প্রাকৃতিক আয়োজন।


বিভিন্ন সড়কের পাশে এখন হলুদ আর সাদায় সেজেছে সর্বত্র। বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে কদম ফুলের। গাছের ডালে ডালে সবুজ পাতার আড়ালে ফুটে অসংখ্য কদম ফুল।স্থানীয় ভাবে জানা যায়, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে কদম গাছে ভরে যায় ফুল ফলে।আর প্রকৃতিতে মৌ মৌ গন্ধে পিপাসুদের তৃপ্তি এনে দেয়। কোমলমতি শিশুরা কদম ফুলে হেসে খেলে আনন্দে মেতে উঠেন।এমনকি তরুণ-তরুণীরা কদম ফুল তাদের প্রিয়জনকেও উপহার দেয়।


মেয়েরা খোঁপায়ও বেধে থাকে অনেক সময়। তবে কদম গাছের বাণিজ্যিক মূল্য কম হওয়ায় এ গাছের সংখ্যাও কমে আসছে ধীরে ধীরে। অনেকেই কদম গাছ কেটে রোপণ করেছেন লাভজনক কোনো গাছ। কদম গাছ কমে যাওয়ায় এখন মানুষ ঐতিহ্য ভুলতে বসেছে।


সবাই এখন বাড়ির আঙ্গিনায় ফলমূল ও ফুলের গাছ লাগাচ্ছে। যার ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে কদম ফুলের গাছ।উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের দক্ষিণ দুরাকুটির গাছ প্রেমী আনছার আলী জানান, বাংলার হাজার ফুলের মধ্যে কদমের সৌন্দর্য অন্যতম। ব্যক্তি পর্যায় ছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও সরকারি-বেসরকারি জায়গায় কদম গাছ লাগানো প্রয়োজন। তাহলে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও প্রকৃতির সৌন্দর্য রক্ষায় কদমগাছ রোপণ ও এর রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি। একই এলাকার আরিফুর রহমান জানান, ছোটবেলায় বর্ষাকালে খেলার অন্যতম উপকরন ছিলো কদমফুল। ফুলের সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করে। বর্ষাকালে পথে প্রান্তরে প্রচুর পরিমাণে কদম ফুলের দেখা মিলতো যা ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় প্রত্যেক বাড়ির আঙিনায় একটি করে কদম গাছ লাগানো জরুরি। তিনি আরও জানান, কদম ফুল শুভ্রতার প্রতীক। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য রক্ষায় কদম ফুলের অবদান রয়েছে। গন্ধে, বর্ণে, সৌন্দর্যে ও ঔষধি গুণে কদমগাছ পরিপূর্ণ হলেও কালের বিবর্তনে হ্রাস পাচ্ছে কদম গাছের সংখ্যা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সব ধরনের গাছ রোপণ সরকারের পাশাপাশি সামাজিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

আরও খবর