ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন তরুণদের ‘থ্রি-জিরো’ ব্যক্তি হিসেবে নিজেকে তৈরির আহ্বান জানালেন ড. বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর ইউনূস ২-৪ বছর থাকলে দেশ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার পথে এগিয়ে যাবে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে'

কিশোরগঞ্জে ৬ কিলোমিটার সড়কে ২৪ টি গতিরোধক: দুর্ঘটনার আশঙ্কায় যানবাহন


নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়ানখাল ডাঙ্গারহাট হতে কেল্লাবাড়ি পযন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কে ২৪ টি স্পিড ব্রেকার অর্থাৎ গতিরোধক হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় যানবাহন। এই পাকা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন।


এই রাস্তাটি বাহাগিলী ইউনিয়ন ছুঁয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা তারাগঞ্জে পৌঁছেছে।বাহাগিলী, নিতাই,খাতামুধুপুর,চাঁদখানাসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকেন।


জানা যায়,এলজিইডি'র অর্থায়নে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে কেল্লাবাড়ি বাজার হইতে কালুরঘাট নতুন বাজার পর্যন্ত প্রায় ৭ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজ এর মধ্যে ৬ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হলেও এখনো ১ কিলোমিটার সড়কের কাজ শেষ হয়নি। তবে ৭ কিলোমিটার সড়কের মধ্যে ৬ কিলোমিটার সড়কের সংস্কার কাজ শেষ হলেও বর্তমানে ‘গোঁদের উপর বিষফোঁড়া’ হয়ে দাঁড়িয়েছে গতিনিয়ন্ত্রক বাঁধ (স্পিড ব্রেকার)। 


সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কে গুপ্তঘাতকের মতো শুয়ে আছে ২৪ টি স্পিড ব্রেকার (গতিরোধক)। স্কুল, মাদরাসা, হাট-বাজার ও ধর্মীয় স্থানের পাশে গতিরোধক দেওয়ার কথা থাকলেও এ সড়কে যেখানে-সেখানে অপরিকল্পিতভাবে গতিরোধক নির্মাণ করা হয়েছে। সড়কের পাশে ২/৩টি দোকান কিংবা বাড়ি থাকলেই তার দুই প্রান্তে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে দুটি গতিরোধক। স্কুল, মাদরাসা, হাটবাজার ও ধর্মীয় স্থানের পাশে বাঁধ দেওয়ার কথা থাকলেও এ সড়কের কোথাও ফাঁকা রাস্তায়, প্রভাবশালী কিংবা বিত্তশালীর বাড়ির সামনেও রয়েছে জোড়ায় জোড়ায় গতিরোধক। অবস্থা এমন হয়েছে যে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে যার যেখানে ইচ্ছা সেখানেই বসিয়েছেন গতিরোধক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় লোকজন জানান, এলাকার প্রভাবশালীরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ‘ম্যানেজ’ করে ইচ্ছামতো গতিরোধক নির্মাণ করিয়েছেন। 


এদিকে গতিরোধক এর আলাদা রঙ বা মার্কিং না থাকায় যে কোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এ সড়কে চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও মোটরসাইকেল যে কোনো সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে । স্থানীয় অটোরিকশাচালক আজিজুল ইসলাম বলেন, এ সড়কে নতুন কোনো চালক গাড়ি নিয়ে ঢুকলেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। কারণ এসব স্পিড ব্রেকারে নেই কোনো রঙ বা সাংকেতিক চিহ্ন। অতিরিক্ত গতিরোধক হওয়ার কারণে যানবাহন খুব ধীরে চালাতে হয়। রাতের বেলায় যাত্রী ও চালকদের জন্য যা খুবই উদ্বেগজনক। এমনকি অপরিকল্পিত গতিরোধক এর কারণে অনেক সময় আমাদের বিপজ্জনক স্পিড ব্রেকারগুলো বসিয়ে শুধু গাড়ির ক্ষতিই করা হচ্ছে না, দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বেড়ে গেছে কয়েকগুণ।


কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান এর সাথে মুঠোফোনে সড়কে এত গুলো স্পিডব্রেকার (গতিরোধক) দেওয়ার বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান,যাচাই করে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


আরও খবর