নান্নুর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক এক কিশোরীর সাথে। নান্নু খারাপ ছেলে, ইয়াবা-গাঁজাসহ মাদক সেবন করে বলে ভুল বুঝিয়ে প্রেমিকা এবং নান্নুর মধ্যে ফাটল ধরায় এবাদুল্লাহ। পরে ওই কিশোরীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে এবাদুল্লাহ।
এসব জানার পর নান্নু, সালাউদ্দিন, রাকিব মিলে এবাদুল্লাহকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতে ফোন করে পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়ার সমুদ্রের পাড়ে ঝাউবাগানে আসতে বলে এবাদুল্লাকে। তার পকেট থেকে মোবাইল বের করে এবাদুল্লার প্রেমের বিভিন্ন এসএমএস, কল রেকর্ড নান্নুর প্রেমিকা এবং এবাদুল্লার এক সাথে তোলা ছবি দেখতে পায় নান্নু। তখন নান্নু ক্ষুব্ধ এবং উত্তেজিত হয়ে পড়ে।
এই প্রেম ভালবাসা-ই কাল হলো এবাদুল্লাহর জীবনে। ভালবাসাকে কেন্দ্র করে এবাদুল্লাহকে তিনজন মিলে নৃশংসভাবে হত্যা করে। প্রথমে তিনজনে রশি পেঁচিয়ে হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে পরে ১১ টি ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে এবাদুল্লাহর।
পরদিন শুক্রবার ঝাউবাগানের বালিতে পড়ে থাকা এবাদুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার দুদিন পর এই ঘটনার মুলহোতা রাকিবকে গ্রেফতার করে সোমবার বিকেলে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার বর্ণনা দেন পুলিশ সুপার।
আসামি রাকিবকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে পুলিশ সুপার জানান, অপরাধ করে কেউ রেহাই পাবে না।
আসামি রাকিবের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং অন্যান্য আসামিদের ধরতে তৎপরতা চলমান আছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
১ দিন ৬ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
১ দিন ২০ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৩ দিন ১৪ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
৮ দিন ১৭ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১২ দিন ১৬ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
১২ দিন ১৭ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
১৩ দিন ১১ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
১৬ দিন ১৩ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে