১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ, ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮৬ সালের ৭ মে, ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ, ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৯৬ সালের১২ জুন , ২০০১ সালের ১ অক্টোবর, ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মতে আগামী ২০২৩ সালের ৩০ ডিসেম্বর অথবা ২০২৪ এর জানুয়ারীতে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবার সম্ভবনা রয়েছে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএন পি সরকার গঠন করে। এ সময় নৌকা প্রতীক নিয়ে ইসহাক মিয়া সাংসদ নির্বাচিত হন। সামান্য ভোটে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে রশিদ মিয়া হেরে যান।
পরবর্তী ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে বিপুল ভোটে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আলমগীর ফরিদ সাংসদ নির্বাচিত হন। পরবর্তী ২০০১ সালের নির্বাচনে ও আলমগীর ফরিদ সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি দুবার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে মহেশখালী ও কুতুবদিয়া রাস্তা ঘাটের আমুল পরিবর্তন করেন। এমনকি এ আসনটি বি এন পির ঘাটি হয়ে যায়। এ অবস্থায় ফখরু -মঈনু তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পেয়ে বিএন পি ও আওয়ামীলীগের বাঘা বাঘা নেতাদের জেলে দেন। এ সময় আলমগীর ফরিদ জেলে যাবার সুযোগে পেইক্কা - পুইক্কা বি এনপির ঘাটিতে জোট থেকে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ কে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে প্রার্থী দেয়া হয় এতে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন।
পরবর্তী ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী দশম সংসদ ও ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে পর পর দুবার আশেক উল্লাহ রফিক সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে জেলা আ.লীগের সভাপতি এ্যাড.সিরাজুল মোস্তফা, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ওসমান গণি ওসমান ও ড: আনচারুল করিমের নাম ও মানুষের মুখে মুখে হয়ে যায়। এমন কি তাঁরা ব্যাপক গণসংযোগ ও করেন। এবার ও আশেক উল্লাহ রফিকের পাশাপাশি মহেশখালী আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক, কালারমারছড়া ইউ,পি চেয়ারম্যান তারেক বিন ওসমান শরীফ সহ তাঁদের নাম শুনা যাচ্ছে। আশেক উল্লাহ রফিক এর ১০ বছর শাসনামলে মহেশখালী -কুুতুবদিয়া ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে,তাঁর আমলে জমি দখল, চাঁদাবাজী, দলের লোকজনের মাঝে বিভাজন হয়ে মারামারি হওয়ার মতো তেমন কোন ঘটনা ঘটেনি। এ কারণে তাঁকে নিয়ে অনেকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে আশাবাদী।
এ ছাড়া মাতারবাড়ী সহ ১২ হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণে কোন ধরনের সংঘর্ষ হতে দেয়নি। এটা আশেক উল্লাহ রফিকের অবদান বলে মনে করেন। সব কিছুই বিবেচনা করে এখনো তাঁর নামটি মাঠে ময়দানে রয়েছে। মহেশখালী -কুতুবদিয়ায় আ.লীগে আশেক উল্লাহ রফিকের বিকল্প নেই।
অপরদিকে জামাত- বিএনপির বিশাল একটি ভোট ব্যাংক মহেশখালী -কুতুবদিয়ায় রয়েছে। এ নিয়ে চায়ের দোকান ও বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় এখন চলছে নির্বাচনী হিসাব নিকাশ।
১ দিন ৬ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১ দিন ২০ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৩ দিন ১৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৮ দিন ১৭ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১২ দিন ১৬ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১২ দিন ১৭ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৩ দিন ১১ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১৬ দিন ১৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে