কুতুবদিয়ায় দুই ইউনিয়নের যাতায়াত এ সেতু নির্মান হওয়ায় প্রাণের উচ্ছ্বাস দুই পাড়ের মানুষেরকক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় মতিবাপের পাড়া খালের উপর নির্মিত হল দৃষ্টিনন্দন কৈযারবিল-লেমশিখালী সংযোগ সেতু।
দীর্ঘ দিনের দুঃখ-দুর্দশা ছিলো সাঁকো দিয়ে পারাপার। সাঁকো দিয়ে নয়, এখন যাতায়ত হবে দৃষ্টিনন্দন সেতু দিয়ে।
৬০ মিটারের সংযোগ সেতু ৪কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে উপজেলার এলজিইডির বাস্তবায়নয়ে নির্মিত হয়েছে শত বছরের অবহেলিত দুই ইউনিয়নের যাতায়াত এ সেতু নির্মান হওয়ায় প্রাণের উচ্ছ্বাস দুই পাড়ের মানুষের।
স্হানীয়রা জানায়,দীর্ঘ দিনের দুঃখ-দুর্দশা ছিলো সাঁকো দিয়ে পারাপার।কত পারাপারের স্মৃতি নিয়ে সাক্ষী-ছোট্র বয়স থেকে দেখে আসছি নতুন-পুরাতন বাঁশের উপর দণ্ডায়মান মতির বাপের পাড়ার সাঁকো।
এলাকার মানুষের স্বপ্ন ছিলো-কোন দিন এই বাঁশের সাকোঁ আধুনিক মানের সেতু কি হবে। স্বপ্ন সত্যিই আজ দৃশ্যমান।
অত্যন্ত ছোট বয়স থেকে কতই ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পারাপার হয়েছি। সাঁকো ভেংগে গেলে এবং বর্ষা কালে ডিংগি নৌকা ও বাঁশ ও কালাগাছের ভেলা দিয়ে পারাপার।
অনেক সময় দেখেছি বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় শিশু ও মহিলা খালে পড়ে যেতে, এবং অসুস্থ ও লাশ পারাপারে যেন এক দুর্ভোগ।
ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পারাপার,অন্য দিকে রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্হা। বলতে গেলে একেবারে অনুন্নত জনপদ ছিলো। দেখেই অবাক লাগতেছে সেই খালের উপর বাঁশের সাঁকো আজ কি সুন্দর আধুনিক পদ্ধতিতে দৃষ্টিনন্দন সেতু। সেতুর সঙ্গে সড়কও পাকা হচ্ছে। বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হওয়ারও অপেক্ষায় এ গ্রাম।
সেতু না থাকায় যুগের পর যুগ এলাকার মানুষের চলাচলের জন্য সহজ কোন মাধ্যম ছিলো না। যার ফলে মানুষের দুর্ভোগ আর ভোগান্তির মধ্যে দিন কাটাতে হতো। দুর্ভোগের সেই যুগের অবসান হলো। সেতুটি এলাকার মানুষের স্বপ্ন ছিলো। বাস্তবায়ন হওয়ার পুরো এলাকার দৃশ্যপট পাল্টে গেছে।
১ দিন ৬ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১ দিন ২০ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৩ দিন ১৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৮ দিন ১৭ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১২ দিন ১৬ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১২ দিন ১৭ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৩ দিন ১১ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
১৬ দিন ১৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে