নড়িয়া (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি
নড়িয়ায় ৯ লাখ টাকা চাদা দাবি, চাদা না পেলে হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে।
শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলার মোক্তারের চর ইউনিয়ন এর পোরাগাছা গ্রামের মৃত রমিজদ্দিন পেদার পুত্র জয়নাল পেদা (৭০) একই গ্রামের ফইজদ্দিন মাদবর এর পুত্র
নাছির মাদবর (৩০), মােতালেব মাদবর (৩৩), রাজ্জাক মাদবর (৩৫), জুলহাস মাদবর (৩৭) এর বিরুদ্ধে এ অভিজোগ তুলেছেন।
অভিযোগ কারি জয়নাল পেদা বলেন
গত (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত অনুমান
৮টার সময় এই ৪ জন সহ অজ্ঞাত নামা আরাে ৫/৬ জন ব্যক্তিরা আমার
বাড়ীতে ঢুকে আমার ঘর, দরজা পিটাইয়া এবং আমাদের
পরিবারের সবাইকে জিম্মি করিয়া অন্ত্রের মূখে ভয়ভীতি প্রদর্শণ করিয়া ৯ লাক্ষ টাকা চাদা দাবী করে। টাকা না দিলে আমার ছেলে নুর হােসেন পেদা কে খুন করে ফেলার হুমকী দেয়। বর্তমানে আমি আমার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপত্তা হীনতায় বসবাস করছি। উক্ত ঘটনার পর হইতে আমার ছেলে নুর হােসেন পেদা সন্ত্রাসীদের ভয়ে বাড়ী আসতে পারে না।
তিনি আরো বলেন আমার নাতী রুবেল কোটারী কে মেরেছে। সে আজ ২ মাস যাবত হাসপাতালে মরে বাচে অবস্থায় আছে। আর সে কারনে গত (২৫ জুলাই) আমার মেয়ের জামাই মিয়া চাঁন কোটারী ওদের বিরুদ্ধে কামরাঙ্গীচর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা করার পর হতে মামলা খরচ বাবদ আমাদের নিকট এই ৯ লাখ টাকা দাবী করে একং মামলা উঠাইয়া না নিলে আমাকে সহ আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণ নাশের হুমকী দিয়ে আসছে। এ বিষয় আমরা নড়িয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয় অভিযোক্তদের সাথে কথা বলতে তাদের বাড়ি গেলে অভিযুক্ত মোতালেব মাদবর এর স্ত্রী বলেন আমাদের কারখানায় ছেলেটাকে মারধোর করে আমার দেবর সহ কর্মচারী রা আমরাই চিকিৎসা করাইছি। টাকা দিতে পারি নাই তাই মামলা দিছে।
অভিযোক্ত নাছির মাদবর বলেন আমরা ভাই মোতালেব মাদবর এর কারখানায় মারামারি হইছে। আমি যতটুকু পারছি দিছি। এখন আমি আর দিতে পারব না। আমার ভাই ও দিতে না পারায়। ওরা মামলা দিয়েছে। রুবেলের নানা বলেছিল রুবেল মরে বাচে যাইহোক আমরা মামলা দিব না। তোমরা চিকিৎসা করাও । আমরা টাকা দিতে না পারায়। আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। আর তাই আমরা মামলা করায় টাকার জন্য শালিস পাঠাই।
এ বিষয় শালিস মোক্তারের চর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং এর সাবেক মেম্বার আলিম বেপারী বলেন আমরা গিয়েছিলাম সমাধানের জণ্য।
এ বিষয় নড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন অভিযোগ সাপেক্ষে তদন্ত পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
৫ দিন ১৪ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৭ দিন ৮ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৮ দিন ৬ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৮ দিন ৬ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৮ দিন ১৩ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
১৪ দিন ১৫ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
১৯ দিন ৫ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
১৯ দিন ৮ ঘন্টা ১ মিনিট আগে